রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪

শিরোনাম

এইচএমএম এবং ইয়াং মিংয়ের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ মার্কিন শিপারের

মঙ্গলবার, জুন ২৮, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চলমান নিউইয়র্ক প্রতিবেদন: দক্ষিণ কোরিয়ার ফ্ল্যাগশিপ ক্যারিয়ার এইচএমএম এবং তাইওয়ানের ইয়াং মিং এর বিরুেদ্ধে মেরিন ট্রান্সপোর্ট পরিষেবার বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থতার অভিযোগ উঠেছে। এ দুইটি কোম্পানি হল শিপিং লাইনন্স দ্বারা অভিযুক্ত সর্বশেষ লাইনার অপারেটর।

গুরমেট ফুড উৎপাদনকারী এমএসআরএফ নামের একটি শিপিং লাইন্স কোম্পানি ফেডারেল মেরিটাইম কমিশনের (এফএমসি) কাছে এইচএমএম এবং ইয়াং মিং এর বিরুদ্ধে একটি অফিসিয়াল অভিযোগ দায়ের করেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, ‘এ দুই কোম্পানি এমএসআরএফ এর সাথে শিপিং চুক্তি লঙ্ঘন করার ষড়যন্ত্র ও জাহাজ ভাড়ায় হেরফের করেছে।

এমন সময়ে এমআরএসএফ এর এ অভিযোগ এসেছে, যখন এফএমসির কমিশনার রেবেকা ডাই গত ১ জুন ঘোষণা করেছে যে, করোনা ভাইরাস মহামারীর মধ্যে নজিরবিহীন ভোক্তাদের চাহিদা জাহাজ ভাড়া বৃদ্ধির দিকে ঠেলে দিয়েছে এবং জাহাজ ভাড়ার হার ঠিক করতে লাইনারগুলোর সংঘবদ্ধ হওয়ার কোন প্রমাণ নেই। তা ছাড়া যে সব জাহাজ কোম্পানির ভাড়া বৃদ্ধি আমেরিকান পরিবারগুলোকে ক্ষতিগ্রস্থ করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ক্র্যাক ডাউন করার প্রতিশ্রুত দিয়ে গত ১৭ জুন ‘সামদ্রিক শিপিং রিফর্ম অ্যাক্ট’ পাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

অভিযোগে এমআরএসএফ উল্লেখ করেছে যে, চীন-মার্কিন পশ্চিম উপকূলে জাহাজ ভাড়ার হার ২০১৯ সালে চেয়ে বর্তমানে প্রায় দশ গুণ বেড়েছে, দুই হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার/এফইইউ থেকে ২৫ হাজার মার্কিন ডলার/এফইইউ।

এমআরএসএফ বলেছে, ‘শিপারদের একটি কৃত্রিমভাবে স্ফীত স্পট মার্কেটে বাধ্য করা হয়েছে।’

ফলে এইচএমএম ও ইয়াং মিং তাদের চুক্তিতে উল্লেখিত ন্যূনতম স্লট পরিমাণ প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে অস্বীকার করার জন্য অভিযুক্ত করেছে এমআরএসএফ। এটি কথিতভাবে এমআরএসএফ-কে স্ফীত স্পট মার্কেটে জায়গা কিনতে চাপ দিয়েছে, যার ফলে এমআরএসএফ দুই দশমিক দুই মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে।

এইচএমএম এবং ইয়াং মিং অভিযোগ মোকাবেলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং এফএমসিকে আগামী ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত মামলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

বলে রাখা ভাল, ২০২১ সালের জুলাইয়ে কসকো এবং এমএসসি শিপিং লাইনের বিরুদ্ধে এফএমসির কাছে এ রকম অভিযোগ করেছিল মার্কিন আসবাবপত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এমসিএস। কিন্তু দুই মাস পরে কসকোর সাথে সাথে তাদের বিরোধের সমাধান হয়েছে। পক্ষান্তরে, এমএসসির বিরুদ্ধে করা মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন