বৃহস্পতিবার, ২৫ জুলাই ২০২৪

শিরোনাম

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৯৫ শতাংশ ২৬

রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৩, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চলমান ডেস্ক: রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডসহ সব বোর্ডের পরীক্ষার গড় পাসের হার ৯৫ দশমিক ২৬ শতাংশ। এ বছরে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ২০২১ সালের এ পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হয়।

২০২১ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নয়টি সাধারণ বোর্ডে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ। কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৯২ দশমিক ৮৫ শতাংশ। মাদরাসা বোর্ডে পাসের হার ৯৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ২০২১ সালের উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করেন। পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট মিলনায়তন থেকে এ ফলাফল প্রকাশ করেন শিক্ষা মন্ত্রী দীপু মনি।

এ বছরে এইচএসসি পরীক্ষায় মোট শিক্ষার্থী ছিল ১৪ লাখ তিন হাজার ২৪৪ জন। এ শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৩ লাখ ৭১ হাজার ৬৮১ জন। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ১৩ লাখ ছয় হাজার ৭১৮ জন। এর মধ্যে এক লাখ ৮৯ হাজার ১৬৯ জন জিপিএ পাঁচ পেয়েছে, উর্ত্তীণের মোট সংখ্যার ১৩ দশমিক ৭৯ শতাংশ।

অন্য দিকে, ২০২০ সালে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। এর মধ্যে অংশ নিয়েছিল ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থী ছিল ১৩ লাখ ৬৭ হাজার ৩৭৭ জন। পাসের হার ছিল শতভাগ।

এবার নয় হাজার ১১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শতভাগ উত্তীর্ণ প্রতিষ্ঠান এক হাজার ৯৩৪ টি। কেন্দ্র সংখ্যা দুই হাজার ৬২১ টি। উত্তীর্ণ হয়নি এমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা পাঁচটি।

আগের বছরের চেয়ে এবার জিপিএ পাঁচ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২৭ হাজার ৩৬২ জন। ২০১৯ সালে উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছিল ৭৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে মোট ৪৭ হাজার ২৮৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ পাঁচ পেয়েছিল।

ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছর এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে উচ্চ মাধ্যমিক, আলিম, উচ্চ মাধ্যমিক ভোকেশনাল, উচ্চ মাধ্যমিক ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা ও ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষা শুরু হয় ও মুল্যায়ন শেষে জুলাই মাসে ফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এ বছর করোনা ভাইরাসজনিত অতিমারীর কারণে সময়মত পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হয়নি। পরবর্তী পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হওয়ায় গ্রুপভিত্তিক তিনটি নৈর্বাচনিক বিষয়ে ছয় পত্রে পুনর্বিন্যাসকৃত সিলেবাস, সংক্ষিপ্ত সময় ও নম্বর বন্টনে পরিবর্তন এনে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সিএন/গাাএমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন