সোমবার, ২০ মে ২০২৪

শিরোনাম

কলকাতায় পঞ্চম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধ

শুক্রবার, জুলাই ২৮, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘সীমান্তের কাঁটাতার বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গকে বিভক্ত করলেও আমাদের হৃদয় ও নাড়ির বন্ধন ছিন্ন করতে পারেনি। একই মাটির গন্ধ, একই নদীর জল, একই পাখির কলতান, একই মেঘমালার বৃষ্টি, একই সংস্কৃতিতে আমাদের জীবন।’

দক্ষিণ কলকাতার নন্দন-১ প্রেক্ষাগৃহে বৃহস্পতিবার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় পঞ্চম বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসব উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় দুই বাংলার চলচ্চিত্রকারেরা একসাথে কাজ করলে বাংলা চলচ্চিত্র বিশ্ব অঙ্গন দখল করবে, এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধরেই বাংলাদেশে চলচ্চিত্র শিল্পের সূচনা। চলচ্চিত্র এমন একটা মাধ্যম; যা দেখে শত শত বছরের আগের অবস্থা জানা যায়, আবার ভবিষ্যতের ছবিও আঁকা যায়।’

সবার সহযোগিতায় বিগত বছরগুলোতে কলকাতায় বাংলাদেশের চলচ্চিত্র উৎসব যেমন সফলতা পেয়েছে, এ বছরও তেমনি পাবে, আশা প্রকাশ করেন তথ্য মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের বিদ্যালয় ও শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসু ও চলচ্চিত্র পরিচালক গৌতম ঘোষ।

ব্রাত্য বসু বলেন, ‘আমাদের ভাষা ও সংস্কৃতি আলাদা নয়। সেক্ষেত্রে আমি মনে করি, এটা দুই বাংলার চলচ্চিত্র উৎসব। পঞ্চম বর্ষেও নিশ্চয়ই উৎসবের চলচ্চিত্র পশ্চিমবঙ্গবাসীকে আকৃষ্ট করবে। আমরাও চাই কলকাতার ছবি নিয়ে বাংলাদেশে উৎসব হোক। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে কথাবার্তা চলছে।’

বাংলাদেশের সাংসদ এরোমা দত্ত, অতিরিক্ত সচিব মো. ফারুক আহমেদ, কলকাতায় নিযুক্ত বাংলাদেশের উপহাইকমিশনার আন্দালিব ইলিয়াস, অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী পূর্ণিমা, অরুণা বিশ্বাস, নুসরাত ফারিয়া, গায়ক রূপঙ্কর বাগচী, প্রিয়াঙ্কা গোপ অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের আয়োজনে সেখানকার ঐতিহাসিক নন্দন-১ ও ২ প্রেক্ষাগৃহে ২৯-৩১ জুলাই পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর একটা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সবার জন্য উন্মুক্ত উৎসবে হাসিনা -আ ডটার’স টেল, জেকে-১৯৭১, বীরকন্যা প্রীতিলতা, লালশাড়ি, গেরিলা, দামাল, পরাণ, গুণিনসহ মোট ২৪টি চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হচ্ছে।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন