সোমবার, ২০ মে ২০২৪

শিরোনাম

খসড়া আইন অনুমোদন: ওষুধ সংক্রান্ত অপরাধের সর্বোচ্চ সাজা দশ বছর জেল

শুক্রবার, আগস্ট ১২, ২০২২

প্রিন্ট করুন

ঢাকা: বিভিন্ন অসঙ্গতি ও অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দশ বছরের জেল এবং দশ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে মন্ত্রিসভা বৃহস্পতিবার (১১ আগস্ট) ড্রাগ আইন, ২০২২ এর খসড়ার নীতিগত  অনুমোদন দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে বাংলাদেশ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে যোগ দেন ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বৈঠক কক্ষে তার মন্ত্রিসভার সহকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বাংলাদেশ সচিবালয়ে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বলেন, ‘ড্রাগ সংক্রান্ত অসঙ্গতি ও অপরাধের জন্য খসড়া আইনের একাধিক ধারায় সর্বোচ্চ দশ বছরের কারাদন্ড, দশ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দন্ডের বিধান রাখা হয়েছে।’

বিদ্যমান আইনে অনিয়মের ও অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল ও দুই লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে।

খসড়া আইনে যেসব অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ দশ বছরের জেল ও দশ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে- লাইসেন্স ছাড়া ওষুধ উৎপাদন বা আমদানি; রেজিস্ট্রেশন ছাড়া ওষুধ উৎপাদন, আমদানি, রপ্তানি, বিপণন, মজুদ, বিক্রয় বা প্রদর্শন; ভেজাল ওষুধ উৎপাদন, বিক্রয়, মজুদ বা বাজারজাতকরণের পাশাপাশি সরকারের ওষুধ চুরি ও বিক্রি।

এছাড়া, বৈঠকে পেন্ডিং মামলাগুলি কমাতে বিদ্যমান আইনে একটি ছোটখাট পরিবর্তন এনে ‘স্টেট একুইজিশন এন্ড টেন্যান্সি (সংশোধন) আইন, ২০২২’ এর খসড়াকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আইনে ট্রাইব্যুনালের বিধান রয়েছে। খসড়া আইন অনুযায়ী জেলা পর্যায়ে সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজদের মামলা বিচারের ক্ষমতা দেয়া যেতে পারে আর জেলা জজরা আনুষ্ঠানিক ট্রাইব্যুনাল গঠন না হওয়া পর্যন্ত আপিল কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করতে পারেন উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ সামান্য সংশোধনী আনা হয়েছে।’

চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুযোগ-সুবিধা কাজে লাগানোর পাশাপাশি স্থানীয় কাঁচামাল ও সম্পদের সুষম ব্যবহারের মাধ্যমে শিল্পায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে মন্ত্রিসভা জাতীয় শিল্প নীতি, ২০২২ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে।

এছাড়া, বৈঠকে সৌদি আরব ও সার্বিয়ার সাথে স্বাক্ষরিত দুইটি চুক্তির অনুমোদনের প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়। চুক্তিগুলো হল- বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যে শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে সহযোগিতা ও পারস্পরিক সহায়তার চুক্তি এবং বাংলাদেশ ও সার্বিয়ার মধ্যে কূটনৈতিক ও অফিসিয়াল পাসপোর্টধারীদের জন্য ভিসা অব্যাহতি নিয়ে চুক্তি।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন