রবিবার, ২১ জুলাই ২০২৪

শিরোনাম

গাজায় বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিল ইসরায়েল

রবিবার, অক্টোবর ৮, ২০২৩

প্রিন্ট করুন
israil 2 1
israil 2 1

সিএন প্রতিবেদন: ইসরায়েলে ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের হামলার পর গাজায় বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিযেছে ইসরায়েল। হামলার পর ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘দীর্ঘ ও কঠিন’ এক যুদ্ধের সম্মুখীন এখন ইসরায়েল।

একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘গাজায় বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও অন্যান্য পণ্যের সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে।’

অবশ্য এই বিবৃতির আগে শনিবার সম্পূর্ণ অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়ে গেছে গাজা উপত্যকা। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ ইতিমধ্যেই বন্ধ করে দিয়েছে। মিসরের পাশাপাশি নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ২০০৭ সাল থেকে গাজা উপত্যকা অবরোধ করে রেখেছে ইসরায়েল। এলাকাটির সম্পূর্ণ আকাশসীমা নিয়ন্ত্রণ করে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। সীমান্ত দিয়ে গাজায় ফিলিস্তিনিদের জন্য কী কী পণ্য প্রবেশ করবে, সেটাও নিয়ন্ত্রণ করে তারা।

ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী ও হামাসের লড়াই অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দেশবাসীর উদ্দেশে বলেছেন, ‘দীর্ঘ ও কঠিন যুদ্ধে’ প্রবেশ করছে ইসরায়েল। এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘হামাসের রক্তক্ষয়ী হামলার মাধ্যমে আমাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। যুদ্ধের প্রাথমিক পর্যায়ের ইতি ঘটবে কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই, যখন ইসরায়েলি ভূখণ্ডে হামাসের অধিকাংশ যোদ্ধাকেই নিশ্চিহ্ন করা হবে।’

হামাসের আকস্মিক হামলার পর ইসরায়েল গাজা উপত্যকায় একাধিক বিমান হামলা চালিয়েছে। এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২৫০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ১ হাজারের বেশি গাজাবাসী। বড় যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি হিসেবে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী বিপুলসংখ্যক সৈন্য জড়ো করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী দীর্ঘ অবরুদ্ধ গাজার সাতটি ভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের তাদের বাড়িঘর ছেড়ে শহরের কেন্দ্রে চলে যাওয়া কিংবা আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বলেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা বিবিসিকে জানিয়েছে, কয়েক ডজন পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে জাতিসংঘ পরিচালিত স্কুলে আশ্রয় নিয়েছে।

সিএন/এমটি

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন