রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

চার বছর পর ইউনেস্কোয় ফিরল যুক্তরাষ্ট্র; নেপথ্যে চীনের প্রভাব মোকাবেলা

রবিবার, জুলাই ২, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: চার বছর অনুপস্থিতির পর ফের জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিবিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কোয় ফিরে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির প্রত্যাবর্তনের বিষয়টি অনুমোদন করেছে সংস্থার সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ।

পক্ষপাতিত্ব ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনে ২০১৯ সালে সংস্থাটি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গেল মাসের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা ইউনেস্কোতে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবস্থাপনা ও সম্পদ বিষয়ক ডেপুটি সেক্রেটারি রিচার্ড ভার্মা ইউনেস্কোর মহাপরিচালকের কাছে তাদের পরিকল্পনা জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান। তাতে তিনি বলেন, ‘সংস্থাটির নীতি-নির্ধারণে চীনের প্রভাব সম্পর্কে উদ্বেগ থেকে নতুন করে যোগদানের বিষয়ে আগ্রহী হয়েছে।’

গেল ১২ জুন ইউনেস্কোর এক সভায় ইউনেস্কোর মহাপরিচালক অড্রে আজুলে জানান, প্রত্যাবর্তন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে জো বাইডেন প্রশাসন ইউনেস্কোর বকেয়ার ১৫ কোটি ডলার দিতে আগ্রহী। এরপর চলতি সপ্তাহে ফ্রান্সের প্যারিসে সংস্থার সদর দফতরে যুক্তরাষ্ট্রের ওই প্রত্যাবর্তন প্রস্তাব আলোচনা ও এরপর ভোটাভুটি হয়।

সংস্থার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘১৩২টি সদস্য রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের নতুন করে যোগদানের পক্ষে ভোট দিয়েছে। বিপক্ষে ভোট দিয়েছে দশটি দেশ।’

ইউনেস্কোর মোট সদস্য ১৯৩টি। সংস্থার মহাপরিচালক অড্রে আজুলে বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের এ প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়ে ইউনেস্কোর সক্ষমতা আরো শক্তিশালী হবে।’

২০১১ সালে ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্যপদ দেয় ইউনেস্কো। সংস্থাটির এমন সিদ্ধান্তে অভিযোগ তোলে ইসরাইল ও তাদের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় থেকেই সংস্থাটিতে অর্থ দেয়া বন্ধ করে দেয় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। এরপর ২০১৩ সাল থেকে দেশ দুটি তাদের ভোটাধিকার হারায়।

ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর ২০১৭ সালের অক্টোবরে যুক্তরাষ্ট্র ইউনেস্কো থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেয়। তার সাথে সাথে ইসরাইলও একই সিদ্ধান্ত জানায়। দেশদুটির অভিযোগ ছিল, ইউনেস্কো ইসরাইল ও ইহুদিবিদ্বেষী। এরপর ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি ইউনেস্কো থেকে বেরিয়ে যায় দেশ দুটি।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন