শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

জনগণের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই

সোমবার, ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২২

প্রিন্ট করুন

ঢাকা: জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও সাংসদ গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেছেন, ‘জাতীয় পার্টি নিজস্ব রাজনীতি নিয়ে এগিয়ে চলছে। জাতীয় পার্টি কারো লেজুরবৃত্তি করে না। নির্বাচনে কোন দলের সাথে জোট হবে তাও নিশ্চিত নয়। তাই নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।’ নির্বাচনের আগেই পার্টিকে সুসংহত করতে নেতা-কর্মীদের প্রতি আহবান জানান তিনি।

রোববার (২০ ফেব্রুয়ারি) বিকালে কাকরাইলে জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাদের সাথে মত বিনিময় সভায় এ সব কথা বলেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে গোলাম কাদের আরো বলেন, ‘জাতীয় পার্টির নীতি নির্ধারণী বিষয়ে পার্টি চেয়ারম্যান ও মুখপাত্র হিসেবে মহাসচিব কথা বলবেন। এ ছাড়া কেউ নীতি নির্ধারণী বিষয়ে কথা বললে তা পার্টি শৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকান্ড হিসেবে বিবেচিত হবে। জাতীয় পার্টি গণ মানুষের কথা বলতেই রাজনীতি করছে। আমরা দেশ ও মানুষের স্বার্থ রক্ষার আন্দোলনে সংসদের পাশাপাশি রাজপথেও ভূমিকা রাখব।’

তিনি বলেন, ‘অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, জনগণের প্রতি সরকারের কোন দরদ নেই। তাই অযৌক্তিকভাবে তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে দিচ্ছে। ওয়াসার পানির দামও বাড়াতে চাচ্ছে। ফলে পণ্যের পরিবহন ব্যায় বেড়ে গেছে। তাই প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। মানুষের আয় বাড়েনি কিন্তু ব্যয় বাড়ছে প্রতিদিন। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। দেশের মানুষ এমন বাস্তবতা থেকে মুক্তি পেতে চায়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে। তাই দেশের মানুষ এক বুক প্রত্যাশা নিয়ে জাতীয় পার্টির দিকে তাকিয়ে আছেন। আমরা দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণ করতেই রাজনীতি করছি।’

পার্টিরর মহাসচিব ও সাংসদ মো. মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ‘আমরা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পল্লীবন্ধুর রাজনীতি ছড়িয়ে দেব। নির্বাচনের আগেই শক্তিশালী জাতীয় পার্টি দেখবে দেশের মানুষ। আওয়ামী লীগ বা বিএনপি নয়, আগামী দিনে দেশের ভবিষ্যত নির্মাণ করবে জাতীয় পার্টি।’

সভায় প্রতিটি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতৃবৃন্দ সাংগঠনিক অগ্রগতি তুলে পরবর্তী পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এ সময় দলের কর্মসূচি এগিয়ে নিতেও নির্দেশনা দেন পার্টির চেয়ারম্যান।

সভায় বক্তব্য দেন পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাংসদ সালমা ইসলাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহিদুর রহমান টেপা, শেখ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম, মো. রেজাউল ইসলাম ভূঞা, নাজমা আকতার ও হাবিবুল্লাহ বেলালি, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মো. সেলিম উদ্দিন, শেরিফা কাদের ও নাজনীন সুলতানা, পার্টির ভাইস-চেয়ারম্যান এইচএম শাহরিয়ার আসিফ, যুগ্ম মহাসচিব মো. বেলাল হোসেন ও একে এম আসরাফুজ্জামান খান, সাংগঠনিক সম্পাদক এবিএম লিয়াকত হোসেন চাকলাদার, জাতীয় প্রাত্তন সৈনিক পার্টির সভাপতি মো. জয়নাল আবেদীন, দফতর সম্পাদক সুলতান মাহমুদ, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক জহিরুল ইসলাম মিন্টু, ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আহাদ ইউ চৌধুরী শাহীন, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক আজহারুল ইসলাম সরকার, যুগ্ম দফতর সম্পাদক মাহমুদ আলম, কেন্দ্রীয় সদস্য আলাউদ্দিন আহমেদ, জাতীয় সমাজের সভাপতি মো. ইব্রাহিম খান জুয়েল, জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির আহবায়ক মো. মেহদী হাসান শিপন, জাতীয় ওলামা পার্টির সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মো. খলিলুর রহমান সিদ্দিকী, জাতীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের আহবায়ক মো. ইকরাম হোসেন বাবু, জাতীয় তরুণ পার্টির সদস্য সচিব মোড়ল জিয়াউর রহমান, জাতীয় ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক মো. আল-মামুন, জাতীয় মটর শ্রমিক পার্টির যুগ্ম আহবায়ক মো. আবদুর রহিম, জাতীয় প্রাক্তন সৈনিক পার্টির সাধারণ সম্পাদক মো. নিজাম উদ্দিন, জাতীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদের সদস্য সচিব মো. আশরাফুল আলম, জাতীয় পেশাজীবী সমাজের সদস্য সচিব সাখাওয়াত খান।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন