রবিবার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

জার্মানি থেকে বালিশের কভার ও বিছানা চাদর কিনছে না: পুলিশ

বুধবার, ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চলমান ডেস্ক: পুলিশের আইজিপি ড. বেনজীর আহমেদ ‘পুলিশ সদস্যদের জন্য বালিশের কভারসহ এক লাখ বিছানার চাদর কিনতে জার্মানি যাচ্ছেন’  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এমন তথ্য অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বলে দাবি করেছে পুলিশ সদরদপ্তর।
মঙ্গলবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) পুলিশ সদর দফতরের (জনসংযোগ ও গণমাধ্যম  বিভাগ) সহকারী মহাপদির্শক কামরুজ্জামান এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান।
বিজ্ঞাপ্তিতে বলা হয়, প্রকৃত সত্য হলো পুলিশ বাহিনী জার্মানি থেকে বালিশের কভারসহ বিছানার চাদর কিনছে না। জার্মানি বিছানা চাদর উৎপাদন ও রপ্তানিকারক কোন দেশ নয়, ভারী শিল্পের দেশ। সঙ্গত কারণে আইজিপির চাদর ও বালিশের কভার কেনার জন্য জার্মানি যাওয়ার কোনো অবকাশ নেই। বিজ্ঞাপ্তিতে আরো বলা হয়, গণক্রয় আইন অনুযায়ী সরকারি ক্রয়ে কোনো কর্মকর্তা ব্যক্তিগত সামগ্রীর মতো কোনো মার্কেট বা দেশ সফরে গিয়ে সরকারি পণ্য কিনতে কিংবা সংগ্রহ করতে পারেন না। এক্ষেত্রে নির্ধারিত সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়া রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে বার্তায়। 
পুলিশ সদরদপ্তর জানায়, বাংলাদেশ পুলিশ সব সময়ই স্থানীয় দরপত্রের মাধ্যমে স্থানীয় প্রস্তুতকারীদের প্রস্তুতকৃত বিছানা চাদর, বালিশের কভার কিনে থাকে। চলতি বছরেও অনুরূপভাবে বাংলাদেশ পুলিশ স্থানীয়ভাবে দরপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত বিছানা চাদর, বালিশের কভার সংগ্রহের ব্যবস্থা নিয়েছে।
সদরদপ্তর আরো জানায়, প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক সরকারি আদেশে অসাবধানতাবশত সৃষ্ট ভাষাগত বিভ্রাটের (প্রসূত তথ্যগত বিভ্রান্তি) কারণে সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি অপপ্রচারকারী চক্র উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এটি গুজব আকারে ছড়িয়ে পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা করেছে।
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন,আমাদের দেশে চাদর-বালিশ যথেষ্ট হচ্ছে, আমরা বিদেশেও রপ্তানি করছি। তিনি কী ধরনের ইমপোর্ট করেছেন বিস্তারিত জানেন। তিনি যাচ্ছেন কিনা, এটা আমার জানা নেই। তিনি ভালো বলতে পারবেন কবে যাবেন, কীভাবে যাবেন।
এর আগে, গত সোমবার (৭ ফেব্রুয়ারি) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত এক অফিস আদেশে বলা হয়- ডবল খাটের এক লাখ পিস বিছানার চাদর ও বালিশের কভারের মান যাচাই করতে পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদসহ সরকারের তিন কর্মকর্তা নয় দিনের সফরে জার্মানি যাচ্ছেন। আর এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা। 
আইআই/সিএন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন