শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

শিরোনাম

তারেক রহমান হবেন প্রধানমন্ত্রী

বৃহস্পতিবার, জুন ২৩, ২০২২

প্রিন্ট করুন

বিশেষ প্রতিনিধি: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হলে খালেদা জিয়া হবেন প্রধানমন্ত্রী আর তার অবর্তমানে সরকার প্রধান হবেন তারেক রহমান।

বুধবার (২২ জুন) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুললে তার উত্তরে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেন,খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলার সাজা হবে। দলটির নেতৃত্ব কার হাতে এবং কে নেতা? ওরা ইলেকশন করবে কী নিয়ে, পুঁজি কী?

প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারা যে ইলেকশন করবে কাকে দেখাবে (নেতা হিসেবে)? সাজাপ্রাপ্ত পলাতককে? সে তো এদেশের নাগরিকত্ব বাতিল করে ব্রিটিশ নাগরিক হয়ে বসে আছে। সাজাপ্রাপ্ত হয়ে ব্রিটিশ নাগরিক কিভাবে হলো? এ নিয়ে তারা কিভাবে ইলেকশন করবে? সেটিই বড় কথা। এখানে গণতন্ত্রের দোষ কোথায়।

এর প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব বলেন,আমাদের নেত্রী তো আছেনই। তিনি তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।বিরোধী দলের নেতা ছিলেন দুইবার। তিনি অবশ্যই প্রধানমন্ত্রী হবেন। তার অবর্তমানে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপার্সন জনাব তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হবেন, যদি আমরা নির্বাচনে জয়লাভ করি।

বিএনপির নেতৃত্বে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেসব প্রশ্ন তুলেছেন সেগুলোকে ‘অবান্তর’ বলে অবিহিত করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিরুদ্ধে ‘মিথ্যা মামলা’ দেয়া হয়েছে। যাকে আপনারা পলাতক বলছেন, তিনি পলাতক নন, তিনি নির্বাসিত। মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে নির্বাসিত করে রাখা হয়েছে।

আওয়ামী লীগে নেতৃত্ব সংকট রয়েছে— এমনটা দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপিতে কোনো নেতৃত্বের সংকট নেই। এটা সরকার প্রচার করছে বিভিন্নভাবে মানুষকে প্রতারিত করবার চেষ্টা করছে। বরং তাদেরই সংকট আছে। একমাত্র শেখ হাসিনা ছাড়া তো তাদের কেউ নেই। তাদের সংকট তো বেশি। উনি চলে গেলে কে হবেন? তা নিয়ে কী যুদ্ধ হয় সেটা তারাই বলতে পারবেন।

তারেক রহমান বিদেশি নাগরিকত্ব নেননি দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারেক রহমান বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়েছেন-এটা একেবারেই মিথ্যা কথা। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাহেব যুক্তরাজ্যে এসাইলামে আছেন। এটা খুব পরিষ্কার করে বলা হয়েছে, এটাতে কোনো রাগ-ঢাক নেই। তিনি কোনো নাগরিকত্ব চাননি, ব্রিটেনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদনও করেননি।

তিনি আছেন যুক্তরাজ্যে, এসাইলামে আছেন। এসাইলাম ছাড়া তো উপায় নেই। কারণ এরা (সরকার) পাসপোর্ট রিনিউ করে না। সুতরাং এই সমস্ত মিথ্যা কথা বলে মানুষজনকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। বাজে কথা বলার তো যুক্তি নাই।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন