শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

শিরোনাম

নিউইয়র্কে অ্যাসাল হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস চ্যাপ্টারের নয়া কমিটির অভিষেক

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৭, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: যুক্তরাষ্ট্রে এশিয়ার আট দেশের প্রবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগঠন অ্যালায়েন্স অব সাউথ এশিয়ান আমেরিকান লেবার (অ্যাসাল) হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস চ্যাপ্টারের নয়া কমিটির অভিষেক হয়েছে। নতুন কমিটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন ডাক্তার রফিক আহমদ ও জেনারেল সেক্রেটারী হয়েছেন ডাক্তার মাহফুজ হোসেন। শনিবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে লং আইল্যান্ড সিটির দ্য নিউইয়র্ক স্কুল ফর মেডিক্যাল অ্যান্ড ডেন্টাল এসিস্টেন্টস হলে অভিষেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে অ্যাসালের প্রতিষ্ঠাতা ও ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট মাফ মিসবাহ উদ্দীন অ্যাসাল হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস চ্যাপ্টারের নতুন কমিটির কর্তাদের শপথ বাক্য পাঠ করান।

অনুষ্ঠানে মাফ মিসবাহ উদ্দীন সব লাইসেন্সহীন মেডিকেল ডিগ্রিধারীদের অ্যাসাল হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস চ্যাপ্টারে যোগদানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনি গেল ৫০ বছর ধরে চেষ্টা করেছেন, কিছুই হয় নি। আমাদের দুই বছর সময় দিন। আপনার আস্থা ও সময় দিন। আমরা আগামী দুই বছরের মধ্যে এটি ঘটতে পারব।’

তিনি বলেন, ‘হেলথ কেয়ার প্রফেশনালসদের সহযোগীতা করতে তাদের পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নে তাদের সাথে একযোগে কাজ করে যাব।’

এরপর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস চ্যাপ্টারের নয়া কমিটির নাম ঘোষণা ও শপথ পড়ান।
অ্যাসাল হেলথ কেয়ার প্রফেশনালস চ্যাপ্টারের ২০২৩-২০২৪ সালের জন্য গঠিত নয়া কমিটির অভিষিক্তরা হলেন প্রেসিডেন্ট ডাক্তার রফিক আহমদ, এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ রহমান, জেনারেল সেক্রেটারী মাহফুজ হোসেন, করেসপন্ডিং সেক্রেটারী ইমরান খান, ট্রেজারার ডাক্তার একেএম নজরুল ইসলাম, পলিটিকেল একশান ডাইরেক্টর জাহিদুর রহমান, উইমেন্স কমিটি চেয়ার শিমিলী, ইমিগ্রেশান ডাইরেক্টর সামিরা খান, এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, ভাইস প্রেসিডেন্ট জোশুয়া নিলি, যুবরাজ ভানোট, উসমান জেড আলভি, মোহাম্মদ আমিনুল্লাহ শেখ, আমিনুল চৌধুরী, ফিলিপ ফাউদ হক, অতীন সাহা, মোহাম্মদ হক, মুহাম্মদ সেলিম শহীদ, জেভিয়ার সোলোজানো, মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, এনামুল খান, মোহাম্মদ নাজমুল ইসলাম, মোহাম্মদ মাহমুদ, শামসুল হুদা ও জিনাত আরা বেগম।

ট্রাস্টি বোর্ডে আছেন ডাক্তার মুজিবুল হক, মুজিবুর রহমান মজুমদার, আশফাক হোসেন, আবু মুহাম্মদ হক, নন্দ পাঞ্জওয়ানী, এলসা মোরা ও সাজ্জাদ হোসেন।

উইমেন্স কমিটিতে আছেন ডাক্তার হিনা নিয়াজী, সালমা আহমেদ, শাহিনা হক, মাহফুজা এ খান, সুলতানা রহমান, ফারজানা রহমান, সাবিহা আক্তার, নারগেস জোসাঘনী, ফাতেমাতুজ জোহরা, রুজিনা মুনিম, সামিয়া জাহান, সুলতানিয়া রাজিয়া, লুবনা ইসলাম, পারভীন ঘানি, ইভেট এল ল্যারি স্যাডলার ও শ্রদ্ধা লোহানী।

ইয়ুথ কমিটিতে আছেন ডাক্তার রাশেদুল হাসান, ডাক্তার মোরশেদ আলম ও হাসানুল ইসলাম চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক স্টেট সিনেট সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা আন্দ্রেয়া স্টুয়ার্ট-কাজিন মূল বক্তা হিসেবে তার ভিডিও বার্তা বলেন, ‘আমরা আমাদের স্টেটসহ পুরো দেশে অ্যাসাল ও তাদের কাজকে ধন্যবাদ জানাই। হেলথ কেয়ার প্রফেশনালদের সমস্যা আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও আমরা সম্ভাব্য সর্বোত্তম সমাধান খুঁজতে আপনাদের সাথে কাজ করব।’

ইউএস সিনেটর কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ড তার ভিডিও বার্তায় সমাধানের অংশ হিসেবে আবাসিক স্লট বাড়ানোর প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন প্রকাশ করেন এবং এ বিষয়ে অ্যাসালের নেতাদের সাথে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

কংগ্রেসওম্যান গ্রেস মেং তার ভিডিও বার্তায় অ্যাসালের কাজের গুরুত্বের ওপর জোর দেন এবং এসংক্রান্ত বিল ফ্লোরে উপস্থাপন হলে তিনি সম্ভাব্য সর্বোত্তম সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দেন।

অ্যাসালের ন্যাশনাল কমিটির সেক্রেটারী করিম চৌধুরী স্বাস্থ্য সেবা পেশাজীবীদের বিদ্যমান সমস্যা সমাধান না হওয়া পর্যন্ত অ্যাসালের আন্দোলনে আরো সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘যখন এ সংক্রান্ত বিল ফ্লোরে যাবে, তখন নিউইয়র্ক স্টেট স্পিকার আপনাদের পৃষ্ঠপোষক ও সমর্থক হবেন।’

রফিক আহমদ বলেন, ‘অ্যাসাল আমাদের জীবনে একটি আশীর্বাদ হিসেবে এসেছে, তাদের দৃষ্টি না থাকলে এ চ্যাপ্টারটি করা সম্ভব হত না।’

রফিক আহমদ আইন প্রণেতা ও অন্যান্য শ্রোতাদের কাছে যুক্তরাষ্ট্রে ওষুধের অনুশীলনের লাইসেন্স পাওয়ার পদ্ধতি সম্পর্কে ব্যাখ্যা করেন। তিনি চিকিৎসক ঘাটতি এবং এর দীর্ঘ ও স্বল্প মেয়াদী সমাধান এবং যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসক স্বল্পতার অর্থনৈতিক প্রভাব সম্পর্কেও কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন ও রেকর্ড করা ভিডিও বার্তা পাঠান স্টেট সিনেটর জন ল্যু, সিনেটর নাথালিয়া ফার্নান্দেজ, সিনেটর টবি অ্যান স্ট্যাভিস্কি, সিনেটর জেসিকা রামোস, সিনেটর লরি কমরী, সিনেটর রক্সান পারসাউড, সিনেটর কেভিন পার্কার, সিনেটর রবার্ট জ্যাকসন, সিনেটর লুইস সেপুলভেদা, সহকারী সংখ্যাগরিষ্ঠ নেতা চার্লস ফল, অ্যাসেম্বলিওম্যান ক্যাটালিনা ক্রুজ, অ্যাসেম্বলিম্যান ডেভিড ওয়েপ্রিন, অ্যাসেম্বলিওম্যান অ্যালিসিয়া এল হাইন্ডম্যান, অ্যাসেম্বলিওম্যান ইউডেলকা তাপিয়া, অ্যাসেম্বলিওম্যান কারিনেস রেইস, অ্যাসেম্বলিম্যান রন কিম, অ্যাসেম্বলিম্যান খলিল অ্যান্ডারসন, অ্যাসেম্বলিম্যান নাদের সায়োগ, অ্যাসেম্বলিম্যান জন জাকারো, অ্যাসেম্বলিম্যান ফারা সোফারেন্ট ফরেস্ট, ডাক্তার মুজিবুর মজুমদার, মুজিবুল হক ও শাহ রহমান, প্রজেক্ট আইএমজির পরিচালক ডাক্তার সেবাস্তিয়ান অরুরানা, লিসা জর্ডান।

অনুষ্ঠানে রফিক আহমেদকে এনওয়াইএস অ্যাসেম্বলি সম্মাননা দেন অ্যাসেম্বলিম্যান নাদের সায়োগ।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন