বুধবার, ২২ মে ২০২৪

শিরোনাম

নিউইয়র্কে ‘বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটি ইউএসএ’র বার্ষিক বনভোজন

বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৭, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র: সিলেটের ‘বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগর প্রবাসী কল্যাণ সোসাইটি ইউএসএ ইনক আয়োজিত বার্ষিক বনভোজন রোববার (২৩ জুলাই) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসের ফেরি পয়েন্ট পার্কে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলা সিডিপ্যাপ সার্ভিসেস ও অ্যালেগ্রা হোম কেয়ার ইনকের প্রেসিডেন্ট আবু জাফর মাহমুদ। সোসাইটির সভাপতি মিজানুর রহমান মিজানের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এনওয়াইপিডির কর্মকর্তা খন্দকার আব্দুল্লাহ, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ডাক্তার জুননুন চৌধুরী, উপদেষ্টা নাজমুল চৌধুরী, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, এডভোকেট ফয়জুর নূর চৌধুরী ও নিউ ইয়র্ক সিটি মেয়র এরিখ এডামসের অফিসের প্রতিনিধি।

জুয়ায়েব চৌধুরী ও কাউছার আহমেদের উপস্থাপনায় বনভোজনের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন সৈয়দ এনাম আহমেদ। উপস্থিত ছিলেন ডাক্তার আসাদ মিয়া, বিশ্বনাথ সমিতির উপদেষ্টা আলমাস আলী, প্রেসিডেন্ট সেবুল খান মাহবুব, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সহ সভাপতি শাহীন কামালী, মিজানুর রহমান মিজান, সাইফুর খান হারুন, ফয়েজ চৌধুরী, তানিম চৌধুরী, তোফায়েল আহমেদ, আলম খান, তৌফিকুল আলম, মোহন মিয়া, সারওয়ার চৌধুরী, সেরুজ্জামান সিরু।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশিদের একে অপরের মধ্যে ভালবাসা ও সৌহার্দ্য বাড়ানোর উপর গুরুত্ব দিয়ে আবু জাফর মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের মধ্যে কোন বিভেদ নেই। একতাই আমাদের শক্তি। আমরা আমাদের বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়েই এ সমাজের সাথে যুক্ত। এখানকার বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর যে বৈশিষ্ট্য, আচার ও স্বভাব আমরা তার থেকে ব্যতিক্রম। আমরা আমাদের ধর্মবোধ ও বাঙালি সংস্কৃতির যে নিজস্বতা তা গভীরভাবে লালন করি, অন্যদের মাঝে তা এক শিক্ষা হিসেবে উপস্থাপন করি। এটি অনেক বড় সামাজিক কাজ।’

বাংলাদেশি আমেরিকানদের মানবিক ও জাতিগত বৈশিষ্ট্যের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি পরিবারের পারিবারিক শৃঙ্খলা, ভালবাসাবোধ ও নিজস্ব সংস্কৃতি চর্চার ক্ষেত্রে সিলেটের বালাগঞ্জ এক অনন্য ক্ষেত্র। এখানকার মানুষ জন্মের সময় থেকে পরিবারের একান্ত আপন আত্মীয় স্বজনের অসাধারণ ভালবাসা ও মমতা পেয়ে থাকে। এ ভালোবাসাই প্রতিটি নারী পুরুষের জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়ে ওঠে। এটিই আমাদের সংস্কৃতি। এটিই আমাদের সভ্যতা। এ আমেরিকায় বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠি ব্যক্তিকেন্দ্রিক বা ক্ষুদ্র স্বার্থকেন্দ্রিক জীবন চর্চায় ব্যস্ত। ঠিক এ বৈশিষ্ট্যের বিপরীতে আমরা পরিবার ও সমাজ নিয়ে চলতে পছন্দ করছি। এ বনভোজন তারই এক দৃষ্টান্ত। এ আয়োজন শুধু খাওয়া-দাওয়া ও বিনোদন নয়, এটি একে অন্যের মাঝে ভাব বিনিময়ের এক অসাধারণ উদ্যোগ। এটি এক সামাজিক পদক্ষেপ।’

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন