রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

পরিবারে ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে যে সতর্কতা জরুরি

সোমবার, নভেম্বর ৬, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

চিকিৎসা খাতে ব্যাপক উন্নতি হলেও ক্যানসারকে এখনো ধরা হয় মরণব্যাধি হিসেবে। খাদ্যাভ্যাস, লাইফস্টাইলসহ বিভিন্ন কারণে মানুষের শরীরে ক্যানসারের বীজ দানা বাঁধলেও বংশগত কারণে ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। বাবা-মায়ের ক্যানসার থাকলে সন্তানের ক্যানসার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। বংশগত ভাবে এ ক্যানসারের জীবাণু অনেক সময় বয়ে বেড়ায় প্রজন্মের পর প্রজন্ম। এছাড়া দাদা-দাদির ক্যানসার থাকলেও নাতি নাতনির শরীরে ক্যানসারের দানা বাঁধার ঝুঁকি থাকে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

পরিবারে কারো যদি ক্যানসারের ইতিহাস থাকে তবে জেনেটিক পরীক্ষা করানোর মাধ্যমে জানা যাবে ভবিষ্যতে ক্যানসারের কোন সম্ভাবনা আছে কিনা। জেনেটিক পরীক্ষা হলো একটি কৌশল যেখানে জিন পরীক্ষা করা হয়।

ক্যানসার ঝুঁকি এড়াতে মনোযোগ দিতে হবে যে বিষয়গুলোতে:
পরিবারের কারও ক্যানসার থাকলেই যে পরবর্তী প্রজন্মের ক্যানসার হবে বিষয়টা পুরোপুরি এমনও নয়। কেননা সব ক্যানসারই বংশগত নয়। ডিম্বাশয়ের ক্যানসার, মহিলাদের স্তন ক্যানসার এবং পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যানসার জেনেটিক হতে পারে। সেই সঙ্গে শরীরে হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া, হাড়ে ব্যথা, কাশি বা মুখ থেকে রক্ত পড়া, দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এর মতো কোনো ধরনের অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা গেলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।

খাদ্যাভ্যাসের প্রতি হোন যত্নশীল:
ক্যান্সার এড়াতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর চর্বি, খনিজ ও ভিটামিন সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া খুবই জরুরি, এর সঙ্গে সবসময় তাজা খাবার খাওয়ার চেষ্টা করুন। ধূমপান, অ্যালকোহল, প্রক্রিয়াজাত খাবারের মতো জিনিস থেকে দূরত্ব বজায় রাখুন। এর মাধ্যমে আপনি শুধুক্যানসারই নয়, অনেক মারাত্মক রোগের ঝুঁকিও এড়াতে পারবেন।

অনুসরণ করুন স্বাস্থ্যকর রুটিন:
যেকোনো রোগ এড়াতে এবং সুস্থ থাকার জন্য, আপনার শারীরিক কার্যকলাপ যেমন ব্যায়াম বা যোগব্যায়ামের জন্য প্রতিদিন কিছু সময় বের করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটা, সাইকেল চালানো বা ব্যায়াম করা অনেক গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা কমাতে পারে।

সিএন/এএইচ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন