শুক্রবার, ২৪ মে ২০২৪

শিরোনাম

পাচারের অর্থ ফেরৎ আনতে ‘পরামর্শক প্রতিষ্ঠান’ নিয়োগ দিচ্ছে সরকার

বুধবার, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

সিএন প্রতিবেদন: বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পাচার হওয়া অর্থ দেশে ফিরিয়ে আনতে এবার বিদেশি আইনি সংস্থা বা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দিতে চাচ্ছে সরকার। এই উদ্যোগের আইনগত দিক খতিয়ে দেখতে এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছে বিভিন্ন সংস্থা। বিষয়টিকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

জানা যায়, এই উদ্যোগ নিয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) অধীন শুল্ক গোয়েন্দা, কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশি দূতাবাসের মাধ্যমে অর্থ পাচারকারীদের তথ্য সংগ্রহ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

বিদেশে পাচার করা টাকা ফেরত আনার বিষয়ে গঠিত টাস্কফোর্সের এক সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। টাস্কফোর্সের সভাপতি অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ আমিন উদ্দিনের সই করা ওই কার্যবিবরণী গত ৩১ আগস্ট সংশ্লিষ্টদের কাছে পাঠানো হয়েছে।

পাচার করা টাকা ফেরত আনার এই উদ্যোগকে ভালো পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক দুই গভর্নর। তবে এ ধরনের কাজে সরকারের সদিচ্ছাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন তাঁরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ব্যাংকের সঙ্গে অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানির কমিশনের ভিত্তিতে অ্যাসেট উদ্ধারের কার্যক্রম এর আগে সফল হয়নি। অথচ কোরিয়া, থাইল্যান্ডে এটা সফল হয়েছিল। কাজেই চেষ্টা করতে পারে। তবে কতটা ফলপ্রসূ হবে, তা বলা কঠিন।

আরেক সাবেক গভর্নর ড. মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন বলেন, নাই মামার চেয়ে কানা মামা ভালো। অন্তত একটা উদ্যোগ তো নিয়েছে। কিন্তু এটা ফলপ্রসূ করতে হলে যে দেশে টাকা পাচার হয়েছে, সে দেশের সরকার এবং ব্যাংকিং ব্যবস্থার সঙ্গে সরকারিভাবে টেকওভার করতে হবে। এর আগে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ আমদানির কথা বলে অনেকে ইলেকট্রনিক পণ্য নিয়ে এসেছে।

সেগুলো ধরাও পড়েছে। কিন্তু সরকারের সদিচ্ছার অভাবে ছেড়ে দিতে হয়েছে। এখন মনে হচ্ছে, সরকারের মনোভাব পরিবর্তন হচ্ছে। যেসব দেশে বাংলাদেশি নাগরিকেরা খুবই সম্পদশালী, তাঁদের বিষয়ে খোঁজ নিতে হবে।

সিএন/এমটি

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন