শনিবার, ২৭ জুলাই ২০২৪

শিরোনাম

বিয়ানীবাজার সমিতির নির্বাচনে অনিয়ম-কারচুপির অভিযোগ

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২, ২০২৩

প্রিন্ট করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিউইয়র্কে বাংলাদেশি বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতির নির্বাচনে অনিয়ম ও কারচুপির অভিযোগ উঠেছে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে তাদের স্বৈরাচারী আচারণ এবং সেচ্চাচারীতার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান নয়, ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের অনিয়ম আর না হয় সেজন্য এসব বিষয় তুলে ধরা হয় বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

গত ৩০ অক্টোবর রাতে ওজোনপার্কের মমোস পার্টি হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সচেতন বিয়ানীবাজারবাসীর ব্যানারে এ অভিযোগ করা হয়। মূলত নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদকসহ ১৬টি পদে বিজয়ী মিসবাহ-অপু প্যানেল সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। এতে তারা ৭টি অনিয়ম অসঙ্গতির কথা তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও মিসবাহ-অপু প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মস্তফা কামাল। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন- সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রাজ্জাক, সাবেক সভাপতি আজিমুর রহমান বোরহান, সভাপতি প্রার্থী মিসবাহ আহমেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি মুহিবুর রহমান রহুল, নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক রেজাউল আলম অপু, যুগ্ম সদস্য সচিব আমিনুল হোসেন ও মোহাম্মদ আলিম প্রমুখ।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বলা হয়—গত ২২ অক্টোবর রোববারের নির্বাচন ছিলো গত ৩৭ বছরের ইতিহাসে সর্বাধিক ভোটারের অংশগ্রহণে সর্বোচ্চ উৎসাহ ও উদ্দীপনাময় নির্বাচন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, বিয়ানীবাজারবাসীর প্রাণের সংগঠনের এত আনন্দদায়ক নির্বাচনকে কলুষিত করেছে এবারের নির্বাচন কমিশন। যা অতীতে কখনো ঘটেনি। নির্বাচন কমিশনের পক্ষপাতদুষ্ট স্বৈরাচারী আচরণ, স্বেচ্ছাচারিতা এবং লাগামহীন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী মিসবাহ-অপু পরিষদের পূর্ণ প্যানেলের সুনিশ্চিত বিজয়কে নস্যাৎ করে কারচুপির মাধ্যমে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পরাজিত দেখানো হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়—সংগঠনের মোট ভোটার সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ৬৭৯ জন। ভোট শেষে ২টি প্যানেলের প্রতিনিধির উপস্থিতি ছাড়া ভোটিং মেশিনের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি প্যানেলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতি ব্যতীত রেজাল্ট শিট প্রিন্ট করা হয়, যাতে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দুটি প্যানেলকে দেওয়া পূর্বের বক্তব্যের ব্যত্যয় ঘটে। আনুষ্ঠানিক বেসরকারি ফলাফল ঘোষণার পূর্বে নির্বাচন কমিশনাররা দীর্ঘক্ষণ গোপন বৈঠক করে ফলাফল প্রদান অনুষ্ঠানে আসেন। ফলাফল ঘোষণার পূর্বক্ষণে নির্বাচন কমিশনারদের এ ধরনের অযাচিত ও অপ্রাসঙ্গিক বৈঠক অতীতে কখনো ঘটেনি।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়—নির্বাচনী কার্যক্রম চলাকালীন সময়ে দুটি প্যানেলের সঙ্গে মিটিংয়ে নির্বাচন কমিশন বলেছিলেন যে, ভোট প্রদান শেষে প্রথমে প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা কর্তৃক গণনা করবেন এবং পরবর্তীতে দুটি প্যানেলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ভোটার মেশিনের ফলাফল শিট প্রিন্ট করবেন। কিন্তু ভোট শেষে নির্বাচন কমিশন এ দুটি বিষয়ের কোনটি আমলে নেননি। বিয়ানীবাজারবাসীর প্রশ্ন, নির্বাচন কমিশনের কেন এ দ্বিচারিতা?

ফলাফল প্রদান অনুষ্ঠানে মিসবাহ-অপু পরিষদের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি মস্তফা কামাল ও মূলধারার বিশিষ্ট রাজনীতিক মিসবাহ আবদিন ও সংগঠনের সাবেক সভাপতি মকবুল রহিম চুনই নির্বাচন কমিশনকে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি প্যানেলের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ভোটার মেশিন থেকে ফলাফল শিট প্রিন্ট করার অনুরোধ করেন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাদের অনুরোধে সায় দিলেও অন্যতম নির্বাচন কমিশনার আব্দুন নূর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে এ কাজ না করতে জোরাজুরি করেন। এতে প্রদানকৃত ভোটার রিসিট গণনা করবেন এবং নির্বাচন কমিশনার থেমে যান এবং নির্বাচন কমিশনার আব্দুন নূরের জোরাজুরিতে তাদের ইচ্ছামতো ফলাফল প্রদানের কাজ চালিয়ে যান। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার মাহি উদ্দিন সকলের কাছে দুঃখ প্রকাশ করে বলেন যে, তিনি নিজেও এ রেজাল্ট শিট সম্পর্কে অবগত নন এবং তার অনুমতি ব্যতীত মেশিন অপারেটর এ রেজাল্ট শিট প্রিন্ট করেছে। যার প্রামাণ্য ভিডিও ফুটেজ রয়েছে ও সামাজিক মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, আমাদের প্রশ্ন, সমগ্র উপস্থিতির অনুরোধ উপেক্ষা করে কোন অজ্ঞাত কারণে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর নূর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ফলাফল শিট প্রিন্ট করতে বাধা দেন এবং কেন নির্বাচন কমিশনারের অনুমতি ব্যতীত মেশিন অপারেটর ফলাফল শিট প্রিন্ট করেছিলো? এ অবস্থায় পূর্ণ বেসরকারি ফলাফল প্রকাশের পর মিসবাহ-অপু পরিষদের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক জোরালো আপত্তি জানানো হয়। পরবর্তীতে সাংবিধানিক নিয়মানুসারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশন বরাবরে প্যানেলের পক্ষে লিখিত আপত্তি জানানো হয়। পূর্বের সমস্ত রীতি ভেঙে ওই দিন বেসরকারি ফলাফল প্রকাশের পর কোন প্যানেলকে প্রিন্টেড রেজাল্ট শিট প্রদান করা হয়নি, এমনকি ভোট শেষে নির্বাচন কমিশন কর্তৃক দুটি প্যানেলের এজেন্টদের কোন স্বাক্ষর গ্রহণ করা হয়নি। এসব কিসের লক্ষণ? বিয়ানীবাজারবাসী জানতে চায়।

জাল ভোটের মহোৎসব ও ফলাফল কারচুপির অভিযোগ করে সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, নির্বাচন কমিশনারদের তত্ত্বাবধানে যেভাবে জাল ভোটের মহোৎসব অনুষ্ঠিত হয়, তা নিম্নরুপ— মোট ১৬টি ভোটিং মেশিনে ভোট প্রদান করা হয়। প্রকাশিত রেজাল্ট সিট অনুসারে প্রতিটি ভোটিং মেশিনে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা লক্ষণীয় ছিলো। কিন্তু একমাত্র ১০ নম্বর ভোটিং মেশিনে মান্নান জুয়েল পরিষদের পাহাড়সম বিজয় কিভাবে ঘটলো? কিভাবে একজন মেশিন অপারেটর ভূয়া ভোটার রিসিট নাম্বারে বারবার জাল ভোটারকে ওই মেশিন ওপেন করে দিয়েছিলো তা বিয়ানীবাজারবাসী তা জানতে চায়?

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, কোন কোন নির্বাচন কমিশনার এসব অপকর্মের সাথে লিপ্ত ছিলেন কি না, তাও জানতে চায় প্রতিবাদী বিয়ানীবাজারবাসী। প্রিসাইডিং কর্মকর্তাগণ কর্তৃক প্রদানকৃত রিসিট অনুসারে প্রদানকৃত ভোট সংখ্যা ৩ হাজার ৫২০টি। কিন্তু ভোটার মেশিন কর্তৃক প্রদানকৃ ত রেজাল্ট শিট অনুসারে প্রদানকৃত ভোট সংখ্যা ৩ হাজার ৯২৩টি। যার মধ্যে তফাৎ ৪০৩টি। এই অতিরিক্ত ৪০৩টি ভোটের উৎস্য জানতে চায় বিয়ানীবাজারবাসী।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, একজন জাল ভোটারকে চিহ্নিত করায় সমিতির অন্যতম উপদেষ্টা বুরহান উদ্দিন কফিল ও তার ভাই ফখরুল উদ্দিনের হাতে অন্যায়ভাবে লাঞ্চিত হন মিসবাহ-অপু প্যানেলের এজেন্ট, সাবেক সাং- গঠনিক সম্পাদক আমিনুল হোসেন। এ সময় বোরহান উদ্দিন কফিল নির্বাচন কমিশনকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন, কিন্তু নির্বাচন কমিশন ছিলেন নিরুত্তর। একজন জাল ভোটারের পক্ষে কেন একজন উপদেষ্টার এত দরদ- বিয়ানীবাজারবাসী তা জানতে চায়? মান্নান জুয়েল পরিষদের পক্ষে একজন জাল ভোটারকে চিহ্নিত করেন মিসবাহ-অপু ও পরিষদের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী রেজাউল আলম অপু। কিন্তু ওই জাল ভোটারকে রক্ষায় এগিয়ে আসেন নির্বাচন কমিশনার হেলাল আহমেদ।

কেন একজন জাল ভোটারের পক্ষে তার এই দরদ? এমন প্রশ্ন তলে আরও বলা হয়, মান্নান জুয়েল পরিষদের একজন জাল ভোটারকে চিহ্নিত করেন মিসবাহ-অপু পরিষদের এজেন্ট হেলাল উদ্দিন। কিন্তু নির্বাচন কমিশনার সালেহ আহমদ মনিয়া ঐ ভুয়া ভোটারকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার কথা বলে চোখের আড়াল হন। পরবর্তীতে তিনি নিজের পকেট থেকে ভুয়া ভোটার রিসিট নম্বর প্রদান করে তাকে দিয়ে মেশিনে জাল ভোট প্রদান করান। মান্নান-জুয়েল পরিষদের পক্ষে একজন নির্বাচন কমিশনারের কেন এই প্রীতি, বিয়ানীবাজারবাসী তা জানতে চায়। মান্নান- জুয়েল পরিষদের একজন প্রার্থী কিভাবে সাংবাদিক পরিচয়ে অবাধে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের ছাড়পত্র পায় ও জাল ভোট প্রদানে সহযোগিতা করে—তা আজ প্রতিবাদী জনতার প্রশ্ন।

নির্বাচন কমিশনের নিকট বারবার নালিশ করা সত্ত্বেও কেন এক্সিট দরজা জাল ভোটারদের প্রবেশ বন্ধ করা হলো না? প্রতিটি পুলিং টেবিলে দুইজন প্রিসাইডিং অফিসার নিয়োগের নামে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত সমন্বয়কারী নিয়োগের নামে মূলত মান্নান জুয়েল পরিষদের প্রার্থীদের আত্মীয়-পরিজন দিয়ে ভোট সেন্টার পরিপূর্ণ করা হয়। যা ঐ প্যানেলের পক্ষে অবাধে জাল ভোট প্রদানের পরিবেশ নিশ্চিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গোপনে ভোটার তালিকার ক্রমিক নাম্বারে পরিবর্তন আনা হয় এমন অভিযোগ তুলে আরও বলা হয়, এটি ভোটারদের অবর্ণনীয় বিড়ম্বনায় নিপতিত করে। এতে অনেক ভোটার ভোট না দিয়ে বাসায় ফিরে যান। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গোপনে পরিবর্তিত ভোটার তালিকার একটি কপি মান্নান জুয়েল পরিষদকে প্রদান করা হয়, যাতে তাদের সমর্থিত ভোটাররা বিড়ম্বনার শিকার না হন। অপরদিকে মিসবাহ-অপু প্যানেলকে ভোটার বঞ্চিত করার অপকৌশলে এ সংক্রান্ত কোনো তথ্য ওই প্যানেলকে প্রদান করা হয়নি। ফলে মিসবাহ-অপু প্যানেলের সমর্থিত ভোটাররা অবর্ণনীয় বিড়ম্বনার শিকার হন। একটি প্যানেলের পক্ষপাত দুষ্ট হয়ে সাধারণ বিয়ানীবাজারবাসী বা ভোটারদের প্রতি নির্বাচন কমিশনের এ কেমন নিষ্ঠুরতা ও মান- বিকতা, তা আজ মানুষের প্রশ্ন। ভোটকেন্দ্রে মান্নান জুয়েল পরিষদের পক্ষে ভোটারদের প্রভাবিত করে কেন নির্বাচনী প্রচারণায় লিপ্ত হলেন কতিপয় নির্বাচন কমিশনার, তা আজ বিয়ানীবাজারবাসীর প্রশ্ন।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল এনওয়াইপিডি ও সিটি লাইন ওজোন পার্ক সিভিল পেট্রোল (সিওপি)। এর মধ্যে আমরা যতটুকু জানতে পেরেছি, সিটি লাইন ওজোন পার্ক পুলিশ পেট্রোল সিওপির নিয়োগ দান ছিল প্রধান নির্বাচন কমিশনারের অগোচরে। এ প্রতিষ্ঠান ভোট কেন্দ্রে মান্নান জুয়েল পরিষদের পক্ষপাতদুষ্ট কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয়। মান্নান জুয়েল পরিষদের কতিপয় এজেন্ট নির্বাচন কমিশন হতে প্রাপ্ত কোন ক্ষমতা বলে বার বার ভোট প্রদান করেছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবরের নালিশ করার পরও কেন তার কোন সূরা হয়নি।

বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও মিসবাহ-অপু প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব মস্তফা কামাল বলেন, নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আমাদের দীর্ঘ অভিযোগ সমূহের মধ্যে সংক্ষিপ্ত আকারে অংশবিশেষ উল্লেখ করা হলো। ভবিষ্যতে প্রয়োজনে আমরা আবারও আপনাদেরকে অবহিত করবো। বিয়ানীবাজার সমিতি তথা যে কোন কমিউনিটি সংগঠনের অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য এই সাংবাদিক সম্মেলন একটি মাইলফলক হিসেবে থাকবে, এটাই প্রত্যাশা করছি।

প্রসঙ্গত, গত ২২ অক্টোবর রোববার ওজনপার্কের কেন্দ্রে রাত সাড়ে ৮টা অবধি ভোট চলার পর নির্বাচন কমিশন এই ফলাফল ঘোষণা করেন। ১৯ সদস্যের কার্যকরি পরিষদের নির্বাচনে সভাপতি, সহ সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদে বিজয়ী হয়েছে মান্নান-জুয়েল পরিষদ। সাধারণ সম্পাদক সহ ১৬টি পদে বিজয়ী হয়েছেন মিজবাহ-অপু প্যানেলের প্রার্থীরা। মান্নান-জুয়েল পরিষদের অন্য ২ বিজয়ী প্রার্থী হলেন রাজু আহমদ (যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক) ও আব্দুল হান্নান দুখু কোষাধ্যক্ষ)। সাধারণ সম্পাদক পদসহ মিজবাহ-অপু প্যানেলের নির্বাচিত অন্য প্রার্থীরা হলেন মুহিবুর রহমান রুহুল (সহ সভাপতি), মাহমুদুল কবির রুবেল (সাংগঠনিক সম্পাদক), সিদ্দিক ইসলাম (সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক), শামসুল আলম শিপলু (দপ্তর সম্পাদক), আবু রাসেল (প্রচার সম্পাদক), জামিল আহমেদ জাফরুল (ক্রীড়া সম্পাদক), ফয়েজ আহমেদ (সমাজ কল্যাণ সম্পাদক) ও হাফছা ফেরদৌস হোসেন (মহিলা সম্পাদিকা)। মিজবাহ-অপু প্যানেলের সদস্য পদে নির্বাচিতরা হলেন মাহবুব উদ্দীন আলম, আমিন উদ্দীন,ইকবাল হোসেন, রেজওয়ান আহমদ,মাসুদুর রহমান,শরীফ আহমদ ও ফরহাদ হোসেন। নির্বাচনে ৮ হাজার ভোটারের মধ্যে প্রায় ৪ হাজার ভোটার ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন