শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

বুদ্ধিজীবী হত্যাকারী জামায়াত-আলবদররাই বিএনপির প্রধান সহযোগী

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১৫, ২০২২

প্রিন্ট করুন

ঢাকা: তথ্য মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হাছান মাহমুদ বলেছেন, ‘দুঃখজনক হলেও সত্য, যে জামায়াতে ইসলামী, আল-বদরের নেতৃত্বে বুদ্ধিজীবী হত্যাকান্ড পরিচালিত হয়েছিল, তাদের নেতারাই এখন বিএনপির প্রধান সহযোগী। বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে যারা যুক্ত ছিল তাদের অনেকেই বিএনপির নেতা।’

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসের (বুধবার ১৪ ডিসেম্বর) সকালে রায়েরবাজারে বধ্যভূমি বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

হাছান মাহমুদ আরো বলেন, ‘আমরা আরো লক্ষ্য করেছি, যে ১০ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবী হত্যার প্রক্রিয়াটা শুরু হয়, সাংবাদিক শহীদ সিরাজ উদ্দিন হোসেনসহ অনেককে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়, সে দিনই বিএনপি ঢাকায় সমাবেশ ডেকেছিল, যেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। আসলে তাদের যে পাকিস্তানপ্রীতি, পাকিস্তানের প্রতি অনুরক্তি সেগুলোই বার বার প্রকাশ পাচ্ছে। যেমন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাহেব বলেছেন ‘পাকিস্তানই ভাল ছিল’।’

মন্ত্রী বলেন, ‘যারা স্বাধীনতাবিরোধী ছিল, যারা বুদ্ধিজীবী হত্যার সাথে যুক্ত, দেশটাই যারা চায় নি। তারা এ দেশে রাজনীতি করে, তাদেরকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেয়া হয়, স্বাধীনতার ৫১ বছর পর এটি আসলে কখনই সমীচীন নয়। কিন্তু এ অপশক্তির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও লালন-পালনকারি হচ্ছে বিএনপি ও বিএনপির নেতৃবৃন্দ।’

জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধ করা হবে কি না – এ প্রশ্নের জবাবে সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের কাছে তারা অনেক আগেই প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। আইনগত কিছু প্রক্রিয়া আছে। নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টরা সেই আইনগত প্রক্রিয়াগুলোই দেখছে। তবে আমি মনে করি, জনগণের কাছ থেকে তারা ইতিমধ্যেই নিষিদ্ধ হয়ে গেছে।’

বুদ্ধিজীবী দিবস নিয়ে তথ্য মন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের এ দিনে আমাদের জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হত্যা করা হয়েছিল। প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তানিরা যখন বুঝতে পারলো, তাদের পরাজয় আসন্ন, তখন যে জাতি স্বাধীন হতে যাচ্ছে, সেই জাতিকে পঙ্গু করার জন্যই জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান বুদ্ধিজীবী, শিক্ষক, আইনজীবী, ডাক্তার, প্রকৌশলী- এদের হত্যা করা হয়।’

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন