রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪

শিরোনাম

শীতে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে করণীয়

শনিবার, ডিসেম্বর ১৭, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চলমান ডেস্ক: প্রকৃতিতে এখন চলছে শীতকাল। আর শীত এলেই লেগে থাকে নানা রকম রোগ-বালাই। বিশেষ করেন এসময় বাচ্চাদের অসুখ বিসুখ বেশি দেখা যায়। আর তাই রাখতে হয় বিশেষ নজর। তবে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যদি বেশি থাকে তবে সেই শিশুকে সহজে জীবাণু কাবু করতে পারে না। তাই শীতকালে শিশুর রোগ প্রিতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ নজর দেয়া উচিত। চলুন জেনে নেসই কিভাবে শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো যায়-

গরম পানি খাওয়ান

শিশুদের মধ্যে ফ্রিজ থেকে ঠান্ডা পানি বের করে খাওয়ার একটা প্রবণতা আছে। তাদের কাছে এটা মজার জিনিস হলেও শীতের সময় এটা কিন্তু আপনাকে শিশুর ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই আগেই সাবধান হয়ে যাওয়া ভালো।  শীতকালে ঠান্ডা পানি খেলে তা শিশুদের মধ্যে রেসপিরেটরি ইনফেকশন কিংবা ইনফ্লামেটরি সমস্যা নিয়ে আসতে পারে, এমনকি সর্দি কাশিও হতে পারে। তাই চেষ্টা করুন  উষ্ণ গরম পানি বা পানি ফুটিয়ে অল্প ঠান্ডা হলে তা আপনার শিশুকে খাওয়াতে।  এছাড়াও জিরা বা অন্য কোন হার্বস পানিতে ফুটিয়ে তা শিশুকে খাওয়ালে তাতে শিশুর ইমিউনিটি বাড়বে।

অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক এড়িয়ে চলুন

ছোট-খাটো অসুখ, সর্দি কাশি, ঠান্ডা লাগা অথবা হালকা ফ্লুর উপসর্গ থাকলে যতটা সম্ভব এন্টিবায়োটিক এড়িয়ে চলুন। বাড়িতেই এমন অনেক কিছু পাবেন যা প্রয়োগ করলে তারা সুস্থ হয়ে উঠতে পারে। বরং একজন ডাক্তারের পরামর্শ নিন যিনি আপনার শিশুর সঠিক চিকিৎসা করে সঠিক ওষুধ দেবেন।  অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার শিশুর মাইক্রোবিয়াল ফ্লোরা এবং ইমিউনিটির ক্ষতি করতে পারে।

বাইরে খেলতে দিন

শীতকাল বলে তাদের বাড়ির মধ্যে আটকে না রেখে বরং বাইরে খেলতে পাঠান। এটাত তাদের মন মেজাজ , মানসিক স্বাস্থ্য সবই ভালো থাকে। প্রাকৃতিক পরিবেশে খোলা আকাশের নিচে সূর্যের আলোয় তাদের বাড়তে দিন সেটা তাদের শরীরের পক্ষে খুব ভালোভাবে কাজ করে এমনকি তাদের ইমিউনিটিকেও বাড়ায়।

ঘুম ঠিক রাখা

প্রতিটি শিশুর ক্ষেত্রেই এটি খুবই গুরুত্বপূর্ন কারণ সুস্থ শরীরের জন্য একটি শিশুর কমপক্ষে ৯ ঘন্টা সম্পূর্ণ ঘুম হওয়া উচিত। সেটা না হলে তা তাদের শরীরের ওপর প্রভাব ফেলে। শিশুদের সারাদিনের ঘুমের সাইকেলতা ঠিক ঠিক সেটা তাদের মধ্যে ইমিউনিটি এবং লাইফস্টাইল দুই উন্নত করে।

হাত ধোয়া

শিশুদের মধ্যে বেশিরভাগ রোগ এই হাত না ধোয়ার কারণেই হয়। প্রায় ৮০ শতাংশ ইনফেকশন এই স্পর্শ থেকে ছড়ায়। পানি নিয়ে খেলা করতে বাচ্চারা ভালোবাসে ঠিকই, তবে হাঁচি কাশির পর তাদের অবশ্যই ভালো হাত ধোয়া শেখানো উচিত। এমনকি হাত ধোয়ার সঠিক পদ্ধতিও তাদের শিখিয়ে দেবেন। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা মেনে চললে এই সব ইনফেকশন থেকে অনেকটাই রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

আইআই/ সিএন

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন