বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

শিরোনাম

একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ উত্তর কোরিয়ার

মঙ্গলবার, জানুয়ারী ২৭, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও সিউলের মধ্যে পিয়ংইয়ংয়ের বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষা অবস্থান রূপান্তর নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই মঙ্গলবার উত্তর কোরিয়া সাগরের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে বলে জানিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সম্ভবত স্বল্প-পাল্লার ছিল।

দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ চিফস অব স্টাফ জানায়, স্থানীয় সময় বিকেল প্রায় ৩টা ৫০ মিনিটে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ংয়ের কাছাকাছি এলাকা থেকে ক্ষেপণাস্ত্রগুলো দেশটির পূর্ব উপকূলের কাছের সাগরের দিকে ছোড়া হয়। ক্ষেপণাস্ত্রগুলো আনুমানিক ৩৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে।

জাপানের কোস্ট গার্ড আলাদাভাবে জানায়, তারা উত্তর কোরিয়ার নিক্ষিপ্ত বলে ধারণা করা কয়েকটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করেছে, যেগুলো কয়েক মিনিট পর পতিত হয়। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি বলেন, এসব ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে না।

জাপানের তথ্য অনুযায়ী, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছয়।

দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা দপ্তর উত্তর কোরিয়াকে অবিলম্বে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে এগুলোকে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন বলে নিন্দা জানিয়েছে।

জাপান এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘উত্তর কোরিয়ার বারবার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ আমাদের দেশ, অঞ্চল এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের শান্তি ও নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলছে।’

বিবৃতিতে আরো বলা হয়, ‘এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ প্রাসঙ্গিক জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবের লঙ্ঘন এবং জননিরাপত্তাকে প্রভাবিত করা একটি গুরুতর বিষয়। জাপান উত্তর কোরিয়ার কাছে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং এসব কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা করেছে।’

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে উত্তর কোরিয়া স্বল্প-পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও একাধিক রকেট লঞ্চারের পরীক্ষা চালিয়েছে, যেগুলোকে তারা যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার হুমকি থেকে আত্মরক্ষার জন্য তাদের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে উন্নয়ন করা হচ্ছে বলে দাবি করেছে।

২০২৪ সালে মস্কোর সঙ্গে স্বাক্ষরিত একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় পিয়ংইয়ং রাশিয়াকে ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য এসব স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও আর্টিলারি সরবরাহ করার পর বিষয়টি নিয়ে আন্তর্জাতিক আগ্রহ আরো বেড়েছে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন