শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

করোনা বাড়ার শঙ্কা: সব বন্দরে স্ক্রিনিং জোরদারসহ কারিগরি কমিটির ছয় পরামর্শ

মঙ্গলবার, এপ্রিল ২৬, ২০২২

প্রিন্ট করুন

ঢাকা: করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে ভ্রমণের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র টিকা নেয়া নয়, করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিশ্চিত করতে হবে। এ লক্ষ্যে দেশের সব বন্দরের প্রবেশ পথে স্ক্রিনিং জোরদার করাসহ ছয়টি পরামর্শ দিয়েছে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

সোমবার (২৫ এপ্রিল) কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ সহিদুল্লার সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ সুপারিশগুলোর কথা জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, ‘করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৭তম সভা রোববার (২৪ এপ্রিল) রাত সাড়ে দশটায় অনলাইনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি  
মোহাম্মদ সহিদুল্লা।

সভায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ইউরোপ ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে করোনা সংক্রমণ বাড়ার কারণ ও দেশে সংক্রমণের হার ভবিষ্যতে নিয়ন্ত্রণে রাখতে করণীয় বিষয়ে কারিগরি পরামর্শক কমিটির মতামত জানতে চাওয়া হয়। এ বিষয়ে সভায় কমিটির সব সদস্যদের উপস্থিতিতে বিস্তারিত আলোচনা শেষে ছয়টি সুপারিশ করা হয়। সুপারিশগুলো হল- বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী হলেও পাশের দেশসহ এশিয়া ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে সংক্রমণ ঊর্ধ্বমুখী, যা উদ্বেগজনক। জাতীয় কারিগরি কমিটি আশংকা প্রকাশ করে, এখন থেকেই সতর্ক না হলে দেশেও সংক্রমণ বাড়তে পারে। তাই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের সুপারিশ করেছে কারিগরি কমিটি। একই সাথে সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরিতে প্রচার-প্রচারণা বৃদ্ধির সুপারিশ করা হয়; যেসব দেশে সংক্রমণের হার বেশি, সেই দেশগুলো থেকে বাংলাদেশে আগমনের ক্ষেত্রে টিকা নেয়া থাকলেও করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিশ্চিত করা ও সব বন্দরে জনগণের প্রবেশ পথে স্ক্রিনিং জোরদারকরণের পরামর্শ দেয়া হয়; আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরে বাজার, কেনাকাটা ও ঘরমুখী মানুষের যাতায়াতের সময় মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার সুপারিশ করা হয়। এ ছাড়া তারাবির নামাজ ও ঈদ জামাতে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করার পরামর্শ দেয়া হয়; করোনা মোকাবিলায় হাসপাতালগুলোকে সতর্ক করতে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় হাসপাতালগুলোর সাথে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে সভা আয়োজন করে এ বিষয়ক প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেয়ার সুপারিশ করা হয়; করোনা নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির মাধ্যমে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আয়োজন করে সবাইকে করোনা নিয়ন্ত্রণে সতর্কাবস্থানে থাকার সুপারিশ করা হয় এবং সভায় জিনোম সিকোয়েন্সিং ও সার্ভেলিয়েন্স জোরদার করার সুপারিশ করা হয়।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন