চলমান ডেস্ক: কানাডার রাজধানী অটোয়ায় ট্রাক চালকদের দ্বারা সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ থাকার মধ্যেই শনিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) টিকা বাধ্যতামূলক বিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ জোরদার হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, অটোয়ায় হাজার হাজার লোক প্রতিবাদে অংশ নিচ্ছে ও অন্যান্য শহরেও এ বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে।
পুলিশ বলছে, তারা ধারনা করছে পার্লামেন্টের সামনে ইতিমধ্যে থাকা শত শত লোকের সাথে আরো প্রায় দুই হাজার বিক্ষোভকারী ও এক হাজার বিক্ষোভ বিরোধী লোক যুক্ত হচ্ছে।
কিন্তু আয়োজকরা বলছে, হাজার হাজার লোক অটোয়ার দিকে যাচ্ছে। এ ছাড়া টরেন্টো, কুইবেক সিটি ও উইনিপেগেও একই ধরনের প্রতিবাদের আয়োজন করা হয়েছে।
অটোয়া পুলিশ প্রধান পিটার স্লোলি শুক্রবার (৪ ফেব্রুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। এটি বিপদজনক ও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে।’
এ দিকে, বিক্ষোভকারীদের কারণে স্থানীয়দের নানা সমস্যার অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্লোলি এ বিক্ষোভকে বেআইনী বলে বর্ণনা করেছেন। প্রায় ৪০ হাজার লোকের স্বাক্ষরিত একটি অনলাইন আবেদনের কথা তুলে ধরে তিনি বিক্ষোভ দমনের অঙ্গীকার করেছেন।
অন্য দিকে, আয়োজকদের পক্ষে বিক্ষোভ সমন্বয়কারী জিম টরমা বলেন, ‘বিক্ষোভকারীরা পিছু হটবে না।’
ইতিমধ্যে তৈরি হওয়া উত্তেজনা তীব্র রূপ নিতে যাচ্ছে বলে আশংকা করা হচেছ। কারণ বিক্ষোভকারীদের প্রতিরোধে পাল্টা বিক্ষোভে নামছে অনেকেই।
উল্লেখ্য, টিকা না নেয়া যে সব ট্রাক চালক আমেরিকা থেকে স্থল সীমান্ত পেরিয়ে কানাডায় ঢুকবে, তাদের জন্য কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করা হয়। তারা এ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ফ্রিডম কনভয় নামে বিক্ষোভের ডাক দেয়। বিক্ষোভে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার ট্রাক চালক অটোয়া অবরুদ্ধ করে রাখে।
দেশটির প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বর্তমানে করোনাক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন। তিনি ফ্রিডম কনভয়ের বিক্ষোভকারীদের সাথে সাক্ষাতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি তাদেরকে বর্ণবাদী, এমনকি সন্ত্রাসবাদী বলেও উল্লেখ করেন।
তবে আয়োজকরা এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
সিএন/এমএ



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন