কোনো অবস্থাতেই গণপিটুনি বা মব মেনে নেওয়া হবে না। অপরাধী যত বড়ই হোক না কেন, শাস্তি দেওয়ার ক্ষমতা একমাত্র রাষ্ট্রের কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর নয়। আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার প্রবণতা সমাজে অরাজকতা তৈরি করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দণ্ডনীয় অপরাধ।’
বুধবার (১৫ এপ্রিল) বাংলাদেশ সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, “অন্তর্বর্তী সরকারের সময় মব বা গণপিটুনির মতো ঘটনাকে ভীষণভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। যার ফলে সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার একটি বিপজ্জনক প্রবণতা তৈরি হয়েছে। বর্তমান সরকার এ ধরনের কর্মকাণ্ডে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এগোচ্ছে এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় কঠোর অবস্থানে রয়েছে।”
ডা. জাহেদ উর রহমান বলেন, ‘কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
পাইলট প্রকল্প হিসেবে দেশের আট বিভাগে ২১ হাজার ১৪ জন কৃষককে এই কার্ড দেওয়া হবে। প্রকল্পটি সফল হলে আগামী অর্থবছর থেকে এর পরিধি বাড়ানো হবে এবং পর্যায়ক্রমে আরো বেশি কৃষককে এর আওতায় আনা হবে।’
তিনি বলেন, ‘এই কর্মসূচির আওতায় প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকেরা বছরে দুই হাজার টাকা করে প্রণোদনা পাবেন। পাশাপাশি কৃষিঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও এই কার্ড কার্যকর হবে।
এ খাতে উন্নয়ন বাজেট থেকে এক হাজার ১৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, ‘এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকদের জন্য ১০ ধরনের সুবিধা দেওয়া হবে; যার মধ্যে নগদ সহায়তা, বীজসহ কৃষি উপকরণ প্রদান উল্লেখযোগ্য। এটি একটি পাইলট প্রকল্প হওয়ায় সবাইকে তা বোঝা প্রয়োজন। অনেকেই ব্যক্তিগতভাবে কৃষক কার্ড পাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন, তবে ধাপে ধাপে এটি সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।’



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন