দেশের ভেতরে ব্যক্তি পর্যায়ে নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় মোবাইল ফোনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, দেশের ভেতরে একজন ব্যক্তি তার প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো পরিমাণ নগদ অর্থ সঙ্গে রাখতে পারেন। এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়নি।
তবে দেশের বাইরে ভ্রমণের সময় বাংলাদেশি মুদ্রা বহনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা নেওয়ার অনুমতি রয়েছে বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বিদেশ ভ্রমণের সময় বৈদেশিক মুদ্রা বহনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে। অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকের মাধ্যমে পাসপোর্টে এনডোর্সমেন্ট করে বছরে সর্বোচ্চ ১২ হাজার মার্কিন ডলার বা সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা নেওয়া যায়। তবে ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী— ব্যবসা, চিকিৎসা, শিক্ষা বা ব্যক্তিগত সফরের ক্ষেত্রে—এই সীমা ভিন্ন হতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদিও দেশের ভেতরে নগদ অর্থ বহনে কোনো সীমা নেই, তবে বড় অঙ্কের অর্থ পরিবহনের ক্ষেত্রে অর্থপাচার প্রতিরোধ আইন ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ আইন প্রযোজ্য হতে পারে। প্রয়োজনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নগদের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে।
দেশের বাইরে বাংলাদেশি মুদ্রা বহনে সীমা নির্ধারণের মূল উদ্দেশ্য হলো বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ ও আর্থিক শৃঙ্খলা বজায় রাখা। সাম্প্রতিক সময়ে নগদ অর্থ বহনের সীমা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হলে তা দূর করতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই স্পষ্টীকরণ দিয়েছে।



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন