শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

ন্যাটো, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুরস্কের দরকষাকষি

বুধবার, মে ১৮, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চলমান ডেস্ক: আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাটোতে যোগ দেয়ার কথা জানিয়েছে ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। ইউক্রেনে রুশ হামলার প্রেক্ষাপটে তারা পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে ঢোকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ন্যাটোতে যোগ দেয়ার কথা জানাতে গত সোমবার (১৬ মে) স্টকহোমে সংবাদ সম্মেলনে হাজির হন সুইডেনের প্রধামন্ত্রী। এর আগে ফিনল্যন্ড পশ্চিমা সামরিক জোটে যোগ দেবে বলে নিশ্চিত করে। স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোর জন্য রাশিয়া হুমকি উল্লেখ করে দেশ দুইটি ন্যাটোর সাথে দফায় দফায় বৈঠক করেছে। শুরু হয়েছে আনুষ্ঠানিক আবেদনের প্রস্তুতি। তবে দেশ দুইটির ন্যাটোতে যোগদানে ভেটো দিয়েছে তুরস্ক।

যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণান্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে তুরস্কের দীর্ঘ দিন ধরে একটি টানাপোড়েন চলছে। অস্ত্র ছাড়াও দরকষাকষির এ সুযোগে কুর্দিদের প্রতি সমর্থন কমানো নিয়ে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের কাছ থেকে প্রতিশ্রুতি আদায়ের সুযোগ ছাড়তে চাচ্ছে না তুরস্ক।

তুরস্ক বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের একজন বিশ্লেষক শুক্রবার (১৩ মে) এক বিশ্লেষণে লিখেছেন, ‘সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের ন্যাটোর সদস্যপদ নিয়ে আঙ্কারা আমেরিকার সাথে দরকষাকষি করতে চাইছে। কারণ আঙ্কারা ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছে। এ নিষেধাজ্ঞায় আমেরিকা থেকে অর্ডারকৃত আধুনিক ফাইটার জেট এফ-৩৫ ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ডেলিভারি পাচ্ছে না দেশটি। মূলত রাশিয়া থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এস-৪০০ কেনার পরেই অস্ত্র বিকিকিনিতে আঙ্কারাকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে ওয়াশিংটন।

তখন তুরস্কের এমন পদক্ষেপের কড়া সমালোচনা করেছিল ন্যাটোর সদস্যভুক্ত দেশগুলো। যদিও এর স্পষ্ট ব্যাখ্যা রয়েছে আঙ্কারার নিকট। বারাক ওবামা তার শাসনামলে তুরস্ককে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্যাট্রিয়ট প্রদানে অনীহা দেখায়। ফলে তুরস্ক ভিন্ন উৎসের দিকে নজর দেয়। ২০১৯ সালে তুরস্ক প্রথম বারের মত এস-৪০০ ডেলিভারি পায়। তবে এবার সুযোগ পেয়ে হয়তো ওয়াশিংটনকে ছাড় দেবে না আঙ্কারা। আগের হিসাবের সাথে নতুন করে যোগ হতে পারে একাধিক শর্ত।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন