শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

মে মাসের কলেরার টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে

শনিবার, এপ্রিল ২৩, ২০২২

প্রিন্ট করুন

ঢাকা: শুধু করোনা ভাইরাসের টিকা নয়, সব ধরনের টিকারই উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

তিনি বলেছেন, ‘করোনা টিকা প্রতি বছর নিতে হলে টিকা উৎপাদনের চেষ্টা করা হবে। ইতিমধ্যে বেশ কিছু কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়েছে। শুধু করোনার টিকা নয়, সব ধরনের টিকারই উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

জাহিদ মালেক শুক্রবার (২২ এপ্রিল) ঢাকার তিতুমীর কলেজে ২০২১-২২ শিক্ষা বর্ষের ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জারি (বিডিএস) ভর্তি পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন। সারা দেশে সকাল দশটা থেকে ১১টা পর্যন্ত এক ঘন্টার একটি ১০০ নম্বরের বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

যেসব এলাকায় কলেরা ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি যেসব এলাকায় টিকা দেয়া হবে জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রী বলেন, ‘মে মাসের কলেরার টিকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। কলেরা ও ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব যেসব এলাকায় বেশি, সেসব এলাকায় টিকা দেয়া হবে। টিকা কার্যক্রম বাড়ানোর পরিকল্পনা আছে।’

জাহিদ মালেক বলেন, ‘এ বছর বিডিএস ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের উদ্দেশ্যে ২০২১-২০২২ শিক্ষা বর্ষে প্রশ্নপত্র বিতরণ হয়েছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে। আগামীতে পরীক্ষার মান আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে এখন থেকেই কাজ শুরু করা হয়েছে।’

এ সময়ে স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব সাইফুল ইসলাম বাদল, স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের মহাপরিচালক প্রফেসর এনায়েত হোসেনসহ অন্য উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরীক্ষা সংক্রান্ত এক পরিসংখ্যান তুলে ধরে স্বাস্থ্য মন্ত্রী এ সময় বলেন, ‘১০০ নম্বরের এমসিকিউ পরীক্ষার সাথে এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় প্রাপ্ত ২০০ নম্বরসহ মোট ৩০০ নম্বরের মাধ্যমে সরকারি ডেন্টাল কলেজ ও মেডিকেল কলেজের ডেন্টাল ইউনিটের জন্য ৫৪৫ জন শিক্ষার্থী বাছাই করা হবে। এখানে ১২টি বেসরকারি ডেন্টাল কলেজ ও মেডিকেল কলেজ ডেন্টাল ইউনিটগুলোতে আসন সংখ্যা এক হাজার ৪০৫টি সহ সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেলে মোট আসন সংখ্যা এক হাজার ৯৫০টি। এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধা, উপজাতি ও অ-উপজাতিতের জন্য নির্ধারিত আসন বাদে জাতীয় মেধায় ৮০ শতাংশ ও জেলা কোটায় ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী সুযোগ পাবে। এবারের পরীক্ষায় মোট আবেদনকারীর সংখ্যা ৬৫ হাজার ৯০৭ জন। এর মধ্যে শুধু ঢাকাতেই রয়েছে ৩১ হাজার ৩৫ জন। এবারের পরীক্ষায় মোট ২৬টি ভেন্যুর জন্য মোট হল সংখ্যা ৯২৯ টি।

উল্লেখ্য, এ পরীক্ষায় সরকারি প্রতিষ্ঠানে প্রতি আসনের বিপরীতে ১২১ জন করে পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। আর মোট আসনের বিপরীতে পরীক্ষার্থী রয়েছে ৩৩ দশমিক আট জন।

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন