চলমান ডেস্ক: একের পর এক বন্দুক হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রে ফের আলোচনায় এসেছে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন। বিশ্লেষকরা বলছেন, ‘ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের পক্ষে থাকলেও বিরোধী দল রিপাবলিকানদের সমর্থন না থাকায় আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করা যাচ্ছে না।’
ইতিমধ্যে দ্রুত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ মানুষ।
টেক্সাসে বন্দুক হামলার প্রতিবাদ ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইনের দাবিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ মানুষ। গত বৃহস্পতিবার (২৬ মে) সকালে ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, মিশিগান, ভার্জিনিয়াসহ দেশটির বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ওই বিক্ষোভ ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে অংশ নেন দেশটির আইনপ্রণেতারাও।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর ক্রিস মারফি বলেন, ‘পৃথিবীতে যুক্তরাষ্ট্র একমাত্র দেশ যেখানে, আমাদের শিশুদের স্কুলে গিয়ে ভাবতে হয়, তারা বেঁচে ফিরতে পারবে কি না। এ বয়সেই তারা যে বিষয়ে নিয়ে বন্ধুদের সাথে কথা বলছে, তা কাম্য নয়। তাদের আলোচনার বিষয়, স্কুলে হামলা হলে তারা কোথায় গিয়ে পালাবে? এটা কোনভাই মেনে নেয়া যায় না।’
মঙ্গলবারের (২৪ মে) ওই ঘটনার মধ্য দিয়ে অস্ত্র, জননিরাপত্তা ও মানবাধিকারের মত ইস্যুগুলো ফের সামনে এসেছে। গত বছর পিউ রিসার্চ সেন্টারের জনমত জরিপ বলছে, ‘৫৩ শতাংশ মার্কিন চান আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন। আর ৪৯ শতাংশ মানুষ মনে করেন, কঠোর আইন হলে নির্বিচারে গুলির ঘটনা কমবে।’ জনসমর্থন থাকার পরও যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন প্রণয়নে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। এ ক্ষেত্রে ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের (এনআরএ) যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটরদের সব সময় প্রভাবিত করে যাচ্ছে বলে অভিযোগও রয়েছে।
এ অবস্থার মধ্যেই টেক্সাসে অনুষ্ঠিত হচ্ছে শক্তিশালী লবিং গ্রুপ ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশনের তিন দিনব্যাপী বার্ষিক সম্মেলন। শুক্রবার (২৭ মে) এতে বক্তব্য দেয়ার কথা রয়েছে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট, টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনীতিকদের।
সিএন/এমএ



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন