সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে বিল পাস হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা এসংক্রান্ত অধ্যাদেশটি এখন স্থায়ী আইনে পরিণত হলো।
রবিবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় সংসদের ত্রয়োদশ অধিবেশনের অষ্টম দিনে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যানশিয়াল করপোরেশন ও স্বশাসিত সংস্থাসমূহে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল-২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম)।
জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বিলটি সংসদে বিবেচনার জন্য উত্থাপন করেন। বিলের ওপর কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় স্পিকার সরাসরি বিলের দফাগুলো ভোটে দেন এবং তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।
নতুন আইন অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সব ক্যাডার এবং ক্যাডারবহির্ভূত সরকারি চাকরিতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা হবে ৩২ বছর। এ ছাড়া স্বায়ত্তশাসিত, আধা-স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ ও পাবলিক নন-ফাইন্যানশিয়াল করপোরেশনসহ স্বশাসিত সংস্থাগুলোর ক্ষেত্রেও একই বয়সসীমা কার্যকর হবে।
তবে যেসব চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা আগে থেকেই ৩২ বছরের বেশি ছিল (যেমন ৩৩, ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর), সেগুলোও এখন এই আইনের অধীনে ৩২ বছরে নেমে আসবে।
বিলটি উত্থাপনের সময় সম্পূরক কার্যসূচি নিয়ে পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলেন বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে বিশেষ কমিটি রিপোর্ট দিয়েছে। এই বিষয়গুলো জুলাই বিপ্লবের চেতনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন