চলমান ডেস্ক: মেক্সিকোর নাগরিকরা যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতে চান। আশ্রয় প্রার্থনা করে প্রত্যেকেই এখন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায়। অতীত ও বর্তমানের সব কষ্ট ভুলতে এখন তারা করছেন নানা শৈল্পিক প্রদর্শনী!
মেক্সিকোর নাগরিকরা সীমান্ত সংলগ্ন শহর তিজুয়ানায় অপেক্ষা করতে বাধ্য হচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন আইন ‘মাইগ্রেন্ট প্রোটেকশন প্রোটোকলের (এমপিপি) কারণে। এতে বলা হয়েছে, ‘এখন থেকে আশ্রয় প্রার্থীরা আবেদন করে মেক্সিকোয় ফিরে যাবেন, আশ্রয়ের সুযোগ পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করবেন। তাই ‘এমপিপি’র আরেক নাম এখন ‘রিমেইন ইন মেক্সিকো’ বা ‘মেক্সিকোতেই থাকে’৷
এমপিপি যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতে চাওয়া অনেক মেক্সিকানকে মহাবিপদে ফেলেছে৷ বিশেষত কোনে ধরনের অত্যাচার থেকে বাঁচতে যারা দেশ ছাড়তে চাইছেন, তাদের জন্য তো নিজের এলাকায় ফেরা মানে ফের সেই অত্যাচারের শিকার হওয়া। এ ছাড়া যাদের বাড়ি সীমান্ত থেকে অনেক দূরে, তাদের জন্য আশ্রয়ের আবেদন করে এলাকায় ফেরা মানে সময় ও অর্থের অপচয়৷
যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্ত সংলগ্ন মেক্সিকান শহর তিজুয়ানায় অপেক্ষারত অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রতিদিন নাচে-গানে স্মরণ করেন গুয়াতেমালার এক কিশোরীকে। ১৫ বছর বয়সি মেয়েটি সংঘবদ্ধ সহিংসতা থেকে বাঁচতে মা-বাবার সাথে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমাতে। কিন্তু স্যান ডিয়েগো শহর সংলগ্ন সীমান্ত থেকে তাদের মেক্সিকোয় ফেরত পাঠানো হয়।
তিজুয়ানা শহরে অপেক্ষারত অভিবাসনপ্রত্যাশীরা প্রতিদিন এখন অপেরার মাধ্যমে গুয়াতেমালার সেই মেয়েটির গল্প বলেন। অপেরাটি পরিচালনা করছেন ইউরিরিয়া ফানজুল।
মেক্সিকো সিটির অভিনয় শিল্পী ও পরিচালক ইউরিরিয়া ফানজুল অভিবাসনপ্রত্যাশীদের জন্য তৈরি এ অপেরার নাম দিয়েছেন ‘ভার্চুয়েল রিয়্যালিটি বারক অপেরা’। এতে অভিনয় করে, নেচে, গেয়ে নিজের দুঃখ ভুলছেন অনেকে। কার্লা প্যাট্রিসিয়ার জন্য এ অপেরায় পারফর্ম করা ভীষণ আনন্দের এক অভিজ্ঞতা।
রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘এ অপেরা আমার জীবনটাই বদলে দিয়েছ।’
সিএন/এমএ



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন