শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

স্থবির হয়ে গেছে জুনটিন্থকে সরকারি ছুটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আন্দোলন

বুধবার, জুন ২২, ২০২২

প্রিন্ট করুন

চলমান নিউইয়র্ক ডেস্ক: পুলিশের হেফাজতে ২০২০ সালে কৃষ্ণাজ্ঞ জর্জ ফ্লয়েড নিহত হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথার কার্যকর সমাপ্তি দিবস অর্থাৎ জুনটিন্থের স্বীকৃতির বিষয়টি নতুন করে গতি পেয়েছিল। কিন্তু প্রাথমিক কার্যক্রমের পরে আমেরিকার রাজ্যগুলোতে এটিকে সরকারি ছুটি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার আন্দোলন মূলত স্থবির হয়ে গেছে।

যদিও প্রায় প্রতিটি রাজ্যই জুনটিন্থকে কিছু উপায়ে স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু ঘোষণা বা প্রস্তাবের চেয়ে বেশি কিছু করার বিষয়ে অত্যন্ত ধীরগতিতে কাজ করে। এমনকি কেউ কেউ কনফেডারেসিকে স্মরণ করে চলেছে।

এ প্রবণতা কৃষাঙ্গ নেতাদের ও তাদের সম্প্রদায়ের সংগঠকদের ক্ষুব্ধ করছে। তারা মনে করেন, আমেরিকার ইতিহাসের একটি প্রায় উপেক্ষিত ও অবহেলিত অংশ জুনটিন্থকে সম্মান দেখানোর জন্য ন্যূনতম দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে এ দিনটিকে বৈতনিক ছুটির দিন হিসেবে ঘোষণা করতে পারে।

গৃহযুদ্ধে কনফেডারেসি আত্মসমর্পণের দুই মাস পরে ও দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে দাসদের মুক্তি দেয়ার ঘোষণার আড়াই বছর পর ১৮৬৫ সালে টেক্সাসের গাল্ভেস্টনে কৃষ্ণাঙ্গ দাসদের কাছে ইউনিয়নের সেনারা মুক্তির খবর নিয়ে আসে। সে সময়টিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য জুনটিন্থ পালন করা হয়।

গত বছর কংগ্রেস ও প্রেসিডন্ট জো বাইডেন জুনটিন্থকে একটি জাতীয় ছুটির দিনে পরিণত করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। ১৯৮৩ সালে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র দিবসের অনুমোদনের পর ফেডারেল সরকার এবারই প্রথম বারের মত নতুন একটি জাতীয় ছুটির দিন মনোনীত করে। তবু এ পদক্ষেপ বেশিরভাগ রাজ্যে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রহণ করা হয় নি।

বলে রাখা ভাল, জুনটিন্থ হল যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল ছুটির দিন; যা আফ্রিকান আমেরিকানদের ক্রীতদাসমুক্তির স্মরণে পালন করা হয়। জুনটিন্থ ১৮৬৮ সালের ১৯ জুনে আমেরিকার টেক্সাসের ক্রীতদাসদের জন্য স্বাধীনতা ঘোষণা করে ইউনিয়ন আর্মি জেনারেল গর্ডন গ্রেঞ্জার দ্বারা অর্ডার ঘোষণার বার্ষিকীকে বুঝায়। গ্যালভেস্টনে উদ্ভূত, ছুটির দিনটি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অংশে ১৯ জুন বার্ষিকভাবে উদযাপন করা হয়। প্রায়শই আফ্রিকান-আমেরিকান সংস্কৃতিকে ব্যাপকভাবে উদযাপন করা হয় । দিনটি প্রথম ফেডারেল ছুটি হিসাবে ২০২১ সালের জুনে স্বীকৃত হয়েছিল, যখন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন জুনটিন্থ জাতীয় স্বাধীনতা দিবস আইনে সই করেন

সিএন/এমএ

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন