বরিশাল: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাব পড়েছে বরিশালে। গত দুইদিন ধরে স্থানীয় বাজারগুলোতে নেই সয়াবিন তেল। বোতলজাত কয়েক দোকানে পাওয়া গেলেও বোতলে লেখা দামের চেয়ে বেশি দাম আদায় হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে তদারকি জোরদার করে বাজার নিয়ন্ত্রণে আনার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
এইদিকে রমজানের একমাসে আগেই বরিশালে সয়াবিন তেল উধাও হওয়াতে কপালে ভাঁজ পড়েছে ভোক্তাদের। দ্রব্যমূল্য সিন্ডিকেটের কবলে পড়ছে বলে মনে করে বাজার নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতারা।
ক্রেতারা বলেন, এ রকম দফায় দফায় তেল বা যেকোনো জিনিসের দাম যদি অহেতুক বাড়ে, অযৌক্তিকভাবে বাড়ে, তাহলে সেটা অবশ্যই আমাদের জন্য অসহনীয়। অস্বাভাবিকভাবে দাম বাড়ার কারণে আমরা আগে যে পরিমাণ কিনতাম, তার তুলনায় কম কিনতে হচ্ছে।
তবে ব্যবসায়ীদের দাবি, ব্যারেল প্রতি ২ থেকে ৫ হাজার টাকা বেড়ে যাওয়ায় বন্ধ করেছেন খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি।
ব্যবসায়ীরা আরো জানান, বাজারে খোলা তেলের দাম এক থেকে ২ হাজার টাকা বেশি। বেশি দামে কিনে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। কোম্পানি তেল দেয় না। ১০ কার্টন তেল চাইলে আমাদের দুই কার্টন তেল দেয়।
পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি, ২০০ লিটার সয়াবিন তেলের ব্যারেলের দাম এক সপ্তাহ আগে ২৮ হাজার টাকা থাকলেও এখন ৩৩ হাজার টাকা। কোম্পানিকে অগ্রিম টাকা দিয়েও তেল না পাওয়ার দাবি পাইকারদের। এ বিষয়ে মেসার্স মোল্লা ব্রাদার্সের পাইকারি তেলের বিক্রেতা মো. শুকুর আলী মোল্লা বলেন, সিটি মিল পণ্য দিচ্ছে। তবে তা পেতে এক মাস সময় লাগছে।
জানতে চাইলে বরিশালের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম বলেন, কেউ যদি কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে সাধারণ মানুষকে হয়রানি করতে চায়, তাহলে আমরা সরজমিনে সে বিষয়টি যাচাই বাছাই করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করব।
তুহিন/আইআই/সিএন



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন