নিজস্ব প্রতিবেদক: পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, “র্যাব কখনও কখনও মাত্রাতিরিক্ত করেছে। তবে আমাদের নিজস্ব সিস্টেম আছে এবং অনেকের শাস্তি হয়েছে, এমনকি মৃত্যুদণ্ডও দেওয়া হয়েছে। সুতরাং এখানে দায়বদ্ধতা আছে। তবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার কারণে র্যাবে লোকজন কাজ করতে আগ্রহ হারাবে। এজন্য এটি পুনর্বিবেচনা করা উচিত।
সোমবার (৪ এপ্রিল) ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এন্থনি ব্লিনকেনের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনার পর সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।
আব্দুল মোমেন বলেন, গত ডিসেম্বরে র্যাব ও এর কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার পরে কেউ আইন-বহির্ভূতভাবে মারা যায়নি। অন্যদিকে ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র সন্তোষ প্রকাশ করেছে।
মোমেন বলেন, আমরা সব ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছি। গত চার মাসে কেউ মারা যায় নাই। আমি উনাকে (ব্লিনকেন) জানালাম—ডিজিটাল সিকিউরিটি আইনে গত চার মাসে ট্র্যাক রেকর্ড খুব ভালো। একটা লোকও ডিএসইতে অ্যারেস্ট হয়নি। ব্লিনকেন উত্তরে বললেন, এটা খুব ভালো। আমরা এক একসঙ্গে কাজ করবো।
কবে নাগাদ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার হবে জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে হবে এবং এর সঙ্গে জড়িত কমিটির সদস্যদেরকে সন্তুষ্ট করতে হবে। এর জন্য কিছু সময় প্রয়োজন। এটি সুইচের মতো না যে অন বা অফ করলে সব ঠিক হয়ে যাবে।
এইদিকে বাংলাদেশে ঔষধ, ইনফরমেশন টেকনোলজিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র অবকাঠামো খাতে তেমনভাবে বিনিয়োগ করেনি। আমি উনাদের অনুরোধ করেছি এখানে যুক্ত হওয়ার জন্য।
আইআই/সিএন



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন