ঢাকা: বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াসহ দশজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামি ১৩ জুন অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) এ মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া অসুস্থ্য থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেন নি। এ জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী সময়ের আবেদন করেন। পরে কেরানীগঞ্জ কারাগারে নব নির্মিত ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-২ এর বিচারক এএসএম রুহুল ইমরান নতুন এ দিন ধার্য করেন।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন জিয়া বিষয়টি গণ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় আসামি ছিলেন ১৩ জন। এর মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর হয়েছে। এ ছাড়া আরেক আসামি আমিনুল হক মারা গেছেন। ফলে বর্তমানে এ মামলার আসামি দশ জন। তারা হলেন- খালেদা জিয়া, সাবেক বাণিজ্য মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী খন্দকার মোশারফ হোসেন, সাবেক কৃষি মন্ত্রী এমকে আনোয়ার (মৃত), সাবেক তথ্য মন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম (মৃত), মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক জ্বালানি ও খনিজসম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রো বাংলার সাবেক পরিচালক মুঈনুল আহসান, সাবেক জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী একেএম মোশারফ হোসেন।
২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন দুদকের তৎকালীন সহকারি পরিচালক মো. সামছুল আলম। একই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে দুদকের উপ-পরিচালক মো. আবুল কাসেম ফকির অভিযোগ পত্র দাখিল করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ‘কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সাথে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতি করা হয় বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
সিএন/এমএ



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন