চলমান ডেস্ক: মে মাসের শেষ সোমবারকে যুক্তরাষ্ট্রে স্মরণ দিবস (মেমোরিয়াল ডে) হিসেবে পালন করা হয়। দেশটির সামরিক বাহিনীতে দায়িত্ব পালনকালে যে সব পুরুষ ও নারী নিহত হয়েছেন, তাদের সম্মানে দিবসটি পালন করা হয়।
প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সোমবার (৩০ মে) আর্লিংটন ন্যাশনাল সেমিটারিতে মেমোরিয়াল ডে পালন করেছেন। এ সময় তিনি দিবসটিকে একটি ‘পবিত্র আচার’ বলে অভিহিত করেছেন, যা আমেরিকার সামরিক বাহিনীতে কাজ করার সময় নিহত হওয়া সেসব পুরুষ ও নারীর আত্মত্যাগের প্রতিফলনকে স্মরণ করিয়ে দেয়।
দিনটি যেসব সেনা সদস্য সামরিক বাহিনীতে থাকাকালীন অবস্থায় নিহত হয়েছেন, তাদের সম্মান জানানোর জন্য বিশেষ একটি দিন। এ দিন অনেক আমেরিকান, যুদ্ধের স্মৃতিসৌধ বা কবরস্থান পরিদর্শন করেন ও তাদের কবরে ফুল দিয়ে সরকারি ছুটির দিনটিকে উদযাপন করেন।
বাইডেন বলেন, ‘দিনটি ছিল তার পুত্র ও একজন সামরিক কর্মকর্তা বিউ বাইডেনের মৃত্যুর সপ্তম বার্ষিকী।’
তিনি বলেন, ‘যদিও বিউ ক্যান্সারে মারা গিয়েছিলেন, কর্তব্যকালীন অবস্থায় নয়, তবু ‘প্রতি বছর মেমোরিয়াল ডে-তে, আমি তাকে দেখি।’
বাইডেন বলেন, ‘আমেরিকান সেনারা গণতন্ত্রের জন্য যুদ্ধ করে যাচ্ছে- ‘আজ, গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার জন্য বহু বছর ধরে সংগ্রামে ইউক্রেন ও এর জনগণ তাদের জাতিকে বাঁচানোর জন্য সামনের সারিতে যুদ্ধ করছে। কিন্তু তাদের এ যুদ্ধ একটি বৃহত্তর লড়াইয়ের অংশ, যা সব মানুষকে একত্রিত করে … এ যুদ্ধ গণতন্ত্র ও স্বৈরাচারের মধ্যে যুদ্ধ, দমন পীড়নের সাথে স্বাধীনতার লড়াই।’
সমাধিস্থলে থাকাকালীন জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কামালা হ্যারিস, যারা যুদ্ধে মারা গেছেন, কিন্তু তাদের দেহাবশেষ সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, সেসব অজানা সেনাদের সম্মান জানাতে, তাদের সমাধিতেও পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
ওয়াশিংটনে, মহামারীজনিত কারণে দুই বছরের বিরতির পর, মেমোরিয়াল ডে প্যারেড সোমবার (৩০ মে) কন্সস্টিউশন এভিনিউতে ফের ফিরে এল।
মোটরসাইকেল চালকদের বর্ণাঢ্য র্যালি রাজধানীতে মেমোরিয়াল ডে পালনের একটি নিয়মিত বৈশিষ্ট্য।
অনেক আমেরিকান পরিবারও মেমোরিয়াল ডে-তে জড়ো হয় ও পিকনিক করে, কারণ দিনটি যুক্তরাষ্ট্রে গ্রীষ্মের ঋতুর শুরু হিসাবে ব্যাপকভাবে স্বীকৃত।
সিএন/এমএ



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন