চলমান নিউইয়র্ক ডেস্ক: আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। মঙ্গলবার বিদ্যুৎ ভবনে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জাবাবে তিনি জানান, সরকার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয়ের কথা ভাবছে। তবে এখনো কিছুই নির্ধারিত হয়নি। নসরুল হামিদ বলেন, বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দাম অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনের (বিপিসি) প্রতিদিন শতকোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে। বিপিসির লোকসান কে নেবে?
তিনি বলেন, গ্রাহকরা চাপে পরুক সরকার এটাও চায় না। এই সময়ে মূল্য সমন্বয় করব কিনা, সেটা আগে ভাবতে হবে। এ নিয়ে কাজ করছে সরকার। গ্রাহকের জন্য যেন দাম সহনীয় পর্যায়ে থাকে সে বিষয়টি আগে দেখা হবে। সম্প্রতি প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির পর বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এরমধ্যে প্রতিমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর ইঙ্গিত মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
প্রসঙ্গত, গত ৩ নভেম্বর ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা করে বাড়ায় সরকার। এরপর গণপরিবহনের ভাড়াও বৃদ্ধি করা হয়। আবারও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হলে গণপরিবহনের ভাড়াসহ উৎপাদন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের খরচ বেড়ে যাবে।
এ প্রসঙ্গে নসরুল হামিদ বলেন, আমরা কতটা বাড়াবো সে জায়গাটা নিয়ে আমাদের ভাবতে হচ্ছে। যাত্রীদের ওপর কী প্রভাব পড়বে, পরিবহনে কী প্রভাব পড়বে সব আমাদের ভাবতে হচ্ছে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশগুলো মূল্য সমন্বয় করে। বাড়লে বাড়ায়, কমলে কমায়। আমার এই মুহূর্তে সেদিকে যাবো কিনা সেটা চিন্তার বিষয়। এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে ভারতের সঙ্গে এখন আমাদের তেলের দামের অর্ধেক পার্থক্য তৈরি হয়ে গেছে। সে তুলনায় এখনও আমরা স্থিতিশীল অবস্থায় আছি।
সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান, বিপিএমআই রেক্টর মো. মহসিন চৌধুরী, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী আনোয়ারুল ইসলাম।
এফআইটি/সিএন



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন