চলমান নিউইয়র্ক ডেস্ক: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সাথে একটি চুক্তির আলোচনায় পাকিস্তানকে সহায়তা করতে রাজি হয়েছে আমেরিকা। খবর ডন অনলাইনের।
এর আগে বিভিন্ন গণ মাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছিল, ‘আইএমএফের সাথে বর্ধিত তহবিল সুবিধা (ইএফএফ) নবায়ন করতে ওয়াশিংটনের সহায়তা চেয়েছে ইসলামাবাদ। সবচেয়ে বড় অংশীদার হিসেবে আইএমএফের নীতি-নির্ধারণীতে উল্লেখযোগ্য প্রভাব আছে আমেরিকার।’
২০১৯ সালের জুলাইয়ে ইএফএফের অধীন ৩৯ মাসের জন্য ৬০০ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তার চুক্তি হয় পাকিস্তানের। কিন্তু আগের সরকার প্রতিশ্রুতি পালনে ব্যর্থ হওয়ায় ৩০০ কোটি ডলারের তহবিল দেয়া বন্ধ করে দিয়েছিল আইএফএফ।
বর্তমানে কেবল তহবিল হস্তান্তরই না, বরং কর্মসূচির আকার ও মেয়াদ বাড়াতে চেষ্ট করছে ইসলামাবাদ। শনিবার (১৮ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশীয় সহকারী বাণিজ্য প্রতিনিধি (ইউএসটিআর) ক্রিস্টোফার উইলসনের সাথে দেখা করেন ওয়াশিংটনে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত মাসুদ খান। এ সময়ে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানো নিয়ে তাদের মধ্যে কথা হয়।
পাকিস্তানে বিনিয়োগ বাড়াতে মার্কিন কর্মকর্তাকে উৎসাহিত করেন মাসুদ খান। আমেরিকার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পণ্য সম্পর্ক বাড়ানো ও বিনিয়োগ নীতি নিয়ে নির্দেশনা দেয়ার দায়িত্ব ইউএসটিআরের। অন্য দেশগুলোর সাথে বাণিজ্য আলোচনার দেখভালও করে এ সংস্থা।
শনিবার (১৮ জুন) যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েবটেক কোম্পানির এক প্রতিনিধির সাথে আলোচনা করেছেন মাসুদ খান। এটি পৃথিবীর রেল কোম্পানিগুলোর নেতৃত্ব দিচ্ছে। বৈঠকের পর এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘পাকিস্তানের সাথে চলমান অংশীদারত্ব আরো দূরে নিয়ে যেতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে ওয়েবটেক। এ ছাড়া পাকিস্তানের লোকোমোটিভের প্রয়োজনীয়তা মেটানোয় সহায়তা করতেও রাজি হয়েছে এ কোম্পানি।’
পণ্য পরিবহন ও ট্র্যানজিট রেলখাতের মূল্য-সংযোজন সেবা, ডিজিটাল সমাধান, সিস্টেমস ও সরঞ্জামাদি সরবরাহে নেতৃত্ব দেয় ওয়েবটেক।
এক বিবৃতিতে মাসুদ খান বলেছেন, ‘ওয়েবটেক ও পাকিস্তানের রেলপথের মধ্যে চলমান সহযোগিতাকে আরো বিশেষভাবে মূল্যায়ন করছি। বিশেষ করে প্রকৌশল ও রেলওয়ে সেবার ক্ষেত্রে দুই পক্ষের সম্পর্ক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পাকিস্তানের রেল নেটওয়ার্কের আধুনিকায়ন ও লোকোমোটিভ উৎপাদনকে দেশীয়করণে ওয়েবটেকের দক্ষতা থেকে লাভবান হওয়া সম্ভব।
সিএন/এমএ



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন