নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে চীন সরকারের গোপন পুলিশ স্টেশন বা থানার সন্ধান পাওয়া গেছে। এই ধরনের গোপন থানা বিশ্বের অন্তত আরও ২০টি দেশে রয়েছে।
সম্প্রতি বিষয়টি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)।
এ বিষয়ে এফবিআই পরিচালক ক্রিস্টোফার রে বলেন, আমরা এই থানাগুলোর বিষয়ে জানি। আমি এ বিষয়ে খুব উদ্বিগ্ন।
আইনপ্রণেতাদের উদ্দেশে রে বলেন, চীনের সরকার আমাদের শহরগুলোতে অননুমোদিত ‘পুলিশ স্টেশন’ স্থাপন করায় যুক্তরাষ্ট্র গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। সম্ভবত প্রভাব বিস্তারের জন্য মার্কিন শহরগুলোতে এসব ‘পুলিশ স্টেশন’ স্থাপন করা হয়েছে।
জানা যায়, ইউরোপভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা ‘সেফগার্ড ডিফেন্ডারস’ চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। সেখানে সংস্থাটি জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরসহ বিশ্বের প্রধান শহরগুলোতে কয়েক ডজন চীনা পুলিশ ‘সার্ভিস স্টেশন’ রয়েছে। এর পরই সরব হয় মার্কিন কংগ্রেসের বিপাবলিকান আইনপ্রণেতারা। বিরোধী এই আইনপ্রণেতারা চীনা এসব পুলিশ স্টেশনের প্রভাব সম্পর্কে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের কাছ থেকে উত্তর দাবি করেন।
মূলত চীনে ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট সরকারের বিরোধী যেসব মানুষ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে আছে, তাদের নজরদারির আওতায় রাখতে দেশে দেশে গোপন পুলিশ স্টেশন স্থাপন করছে বেইজিং। নিউ ইয়র্ক ছাড়াও বিশ্বের পাঁচটি মহাদেশের অন্তত ২১টি দেশের ২৫ শহরে ৫৪টি পুলিশ স্টেশন রয়েছে চীনের। এসব দেশের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নেদারল্যান্ডস, আয়ারল্যান্ডের মতো শিল্পোন্নত ও ধনী দেশের পাশাপাশি রয়েছে নাইজেরিয়া, ইথিওপিয়ার মতো সংঘাতপূর্ণ দরিদ্র বিভিন্ন দেশও।
সিএন/এমটি



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন