শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা

মঙ্গলবার, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

প্রিন্ট করুন
Discussion on the golden jubilee of independence and the future of Bangladesh 1

চলমান ডেক্স: বাংলাদেশর স্বাধীনতা অর্জনের  মুল লক্ষ্যে থেকে দেশের মানুষ সরে গেছে। একশ্রেনীর মানুষের কাছে গোটা দেশের মানুষ জিম্মি হয়ে আছে। ফলে সন্ত্রাস, দূর্নীতি, গনতন্ত্র হীনতা মানুষকে পেয়ে বসেছে। তরুন প্রজন্ম জানেনা গণতন্ত্রের সংজ্ঞা কি। কারণ তারা দেখে আসছে এক নায়কতন্ত্র এবং বিনা ভোটের সরকার ব্যবস্থা।২১ সেপ্টম্বর সন্ধ্যায় নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের নবান্ন রেষ্টুরেন্টে বাংলাদেশ এফেয়ার্স ফোরাম ইউএসএ আয়োজিত স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী ও আগামীর বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা সভায় বক্তরা  এসব কথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্টোর আইনজীবি ও আমার বাংলাদেশ পাটির যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট তাজুল ইসলাম বলেন, আওয়ামী লীগ মনে করে বিএনপি জামায়াতকে শেষ করে দিতে পারলে তাদের সামনে আর কোন প্রতিদ্বন্ধি থাকবেনা।  আর বিএনপি মনে করে আওয়ামী লীগকে যে কোন মূল্যে হটাতে হবে। কিন্তু এই মানসিকতা কেন? আমরা সবাই মিলে একটি ভাল রাজনীতি করতে পারিনা। যারা ক্ষমতায় আসবে তারা ক্ষমতাকে টিকে রাখার জন্য ফাঁসির মঞ্চ তৈরি করবেনা। যারা ক্ষমতায় আসবে তারা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে এক টেবিলে বসে রাজনীতিবিদরা আলোচনা করবে। তাহলে আমাদের দেশ বিশ্বের কাছে একটি সুনাম অর্জনকারী দেশ হিসাবে পরিচিতি লাভ করবে।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব কাজী জেসিন বলেন, আমাদের দেশের মহান স্বাধীনতা হয়েছিল গণতন্ত্রের জন্য। কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ কি গণতন্ত্র ভোগ করতে পারছে? এটা আমাদেরকে আজ ভাবতে হবে। দেশের গণতন্ত্রের বিষয়ে তরুনদেরকে এগিয়ে আসার আহবান জানান তিনি।চিকিৎসক ও রাজনীতিবিদ মুজিবুর রহমান বলেন, একদলীয় শাসন ব্যবস্থায় দেশ আজ অচলবস্থায় পরিণত হয়েছে। দেশের শীর্ষনেতাদের কারাগারে আটক রাখা হয়েছে। গুম খুন এখন নিত্য নৈমিত্তিক ব্যপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর থেকে জাতিকে মুক্তির পথ বের করে আনতে হবে।

অন্যথায় আমাদের দেশের ধংশ হয়ে যাবে। আমার বাংলাদেশ পার্টির মজিবুর রহমান মনজু বলেন, রাজনীতির মূল বিষয়বস্তু হল সমাজ, দেশ ও রাষ্ট্র আর রাষ্ট্রের প্রাণ হল জনগণ। সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচার এই তিন মূল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র পরিচালিত হলে অনিয়ম, দুর্নীতি, দুঃশাসন বন্ধ হবে।

এজন্যে ব্যক্তি পর্যায়ে আত্মশুদ্ধি ও শুদ্ধাচারের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। নৈতিক শক্তির পূনর্জাগরণ ঘটিয়ে সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী দেশ গঠনে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশ এফেয়ার্স ফোরামের কো অর্ডিনেটর আশিক মাহমুদ ও সহকারী কো অর্ডিনেটর আবদুর রহিম দিপুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক মঈনুদ্দিন নাসের। অন্যান্যর মধ্যে বক্তব্য রাখেন , শরাফত বাবু, জসিম উদ্দিন, সেলিম রেজা, রুহুল আমিন, গোলাম জাকারিয়া, রেজবুল কবির, মো: কাশেম, আজাদ রহমান।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন