শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬

শিরোনাম

মহামায়া মন্দির কমিটির সদস্যদের মধ্যে মারামারির জের ধরে দুইজন গ্রেফতার

শুক্রবার, অক্টোবর ২২, ২০২১

প্রিন্ট করুন
images 6

চলমান ডেস্ক: জ্যামাইকার লিবার্টি ও ইনউড স্ট্রিটের কর্ণারে অবস্থিত মহামায়া মন্দিরে দুর্গাপূজার সময় কমিটির সদস্যদের মধ্যে মারামারির পর ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে তিন জনকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতরা হলেন নির্মল পাল, রাজেন সাহা ও শ্যামল চক্রবর্তী। শ্যামল চক্রবর্তীকে থানায় জিজ্ঞাসাবাদের পর ছেড়ে দেয়া হয়।


গত ৮ অক্টোবর মন্দিরের ভেতরে বিবাদমান দুই কমিটির সদস্যরা পূজার দেখভাল নিয়ে ঝগড়ায় লিপ্ত হন। একপর্যায়ে নির্মল পাল শ্যামল চক্রবর্তীকে ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ উঠে। এ সময় কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও  মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন।


দীর্ঘদিন ধরে মহামায়া মন্দিরে দুই গ্রুপের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। দূর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে গ্রুপিং চাঙ্গা হয়ে ওঠে। ৬ অক্টোরর শ্যামল চক্রবর্তী, প্রিয়তোষ গ্রুপের সদস্যরা আদালত থেকে দূর্গাপূজার দেখভাল করার আদেশনামা নিয়ে আসেন।
 কিন্তু শ্যামল প্রিয়তোষ বিরোধী গ্রুপের অশোক সাহারা আগে থেকে মন্দির দখল করে রাখেন। শ্যামল চক্রবর্তী সহ তার লোকজন আদালতের আদেশনামা সহ মন্দিরে প্রবেশ করলে উভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুইজনকে গ্রেফতার করে।
 দুইদিন পর গ্রেফতারকৃতরা জামিনে বেরিয়ে আসেন।এরমধ্যে আদালতে আরেকটি রায় প্রকাশিত হয়। আদালতের নির্দেশনায় অশোক গ্রুপের লোকজন মন্দিরে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার প্রবেশ করে পূজা করবে এবং শ্যামল চক্রবর্তী ও প্রিয়তোষ গ্রুপের লোকজন সোম ও মঙ্গলবার দূর্গাপূজা উদযাপন করার কথা।


কিন্তু অশোক গ্রুপের লোকজন ১১ অক্টোবর আদালতের রায় অমান্য করে আবারও মন্দিরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করেন। তাৎক্ষনিক ভাবে শ্যামল চক্রবর্তী সহ প্রিয়তোষের লোকজন পুলিশে খবর দিলে পুলিশ এসে তাদের বের করে দেয়।
উল্লেখ্য পূর্বের দাখিলকৃত মামলার আদেশও শ্যামল চক্রবর্তীর অনুকুলে যায়। আদেশে বলা হয়, শ্যামল চক্রবর্তীরা  ট্রাষ্টি বোর্ডের নির্বাচন করতে পারবেন। এছাড়া আদালত মহামায়া মন্দিরের ব্যাংক একাউন্ট শ্যামল গ্রুপের প্রিয়তোষ দে, তাপস মালুর কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেন। তবে এ বিষয়ে অশোক গ্রুপের লোকজন আদালতে আপিল করেছেন কিনা জানা যায়নি।


দূর্গাপূজায় মারামারি ঘটনায় সাধারণ ভক্তরা নিন্দা ও ঘৃণা প্রকাশ করেছেন। সাধারণ ভক্তরা বলেন, আমাদের সন্তানরা এসব ঘটনায় আতংকিত হয়েছে। যা কোন ভাবেই কাম্য নয় বলে তারা উল্লেখ করেন। 

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন