সিএন প্রতিবেদন: দীর্ঘ ৩৫ বছর পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ, হল ও হোস্টেল সংসদ নির্বাচন। ক্যাম্পাসজুড়ে ইতোমধ্যেই নির্বাচনী আমেজ তৈরি হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল ঘোষণা করেছে বিভিন্ন ছাত্র সংগঠন ও স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট।
বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে আয়োজিত পৃথক সংবাদ সম্মেলন, বিবৃতির মাধ্যমে প্যানেলগুলো প্রকাশ করা হয়। এতে বড় দলগুলোর পাশাপাশি অরাজনৈতিক ও নতুন সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণ নির্বাচনী পরিবেশকে বহুমাত্রিক করেছে বলে মনে করছেন শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের বুদ্ধিজীবী চত্বরে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন উপস্থিত থেকে প্যানেল ঘোষণা করেন। তাদের প্যানেলে ভিপি পদে শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন হৃদয়, জিএস পদে মো. শাফায়াত হোসেন এবং এজিএস পদে আইয়ুবুর রহমান তৌফিক মনোনীত হয়েছেন।
ছাত্রদলের প্যানেল ঘোষণার কিছুক্ষণ পর ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত ‘সম্প্রীতির শিক্ষার্থী জোট’ ঘোষণা করা হয়। এতে ভিপি পদে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যকরী সদস্য ইব্রাহিম হোসেন রনি, জিএস পদে সাঈদ বিন হাবিব এবং এজিএস পদে সাজ্জাদ হোসাইন মুন্না প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্যানেলে ধর্মীয় বৈচিত্র্য রক্ষার্থে হিন্দু ধর্মাবলম্বী এক শিক্ষার্থীকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়াও ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ‘সচেতন শিক্ষার্থী সংসদ’, একাধিক বাম সংগঠনের ‘বৈচিত্র্যের ঐক্য’, বাগছাসের একাংশের স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী সম্মিলন, স্যাড ও ছাত্র ফেডারেশনের ‘স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী জোট’, ছাত্র অধিকার পরিষদ ও ইসলামী ছাত্র মজলিসের ‘চাকসু ফর র্যাপিড চেইঞ্জ’, অরাজনৈতিক শিক্ষার্থীদের ‘সার্বভৌম শিক্ষার্থী ঐক্য’, ছাত্র ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের ‘দ্রোহ পর্ষদ’ ও সুফিবাদি আদর্শে বিশ্বাসি শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে ‘অহিংস শিক্ষার্থী ঐক্য’ নামে প্যানেল ঘোষণা করা হয়।



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন