শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬

শিরোনাম

কুয়ালালামপুরে বর্ণিল আয়োজনে নতুন বছর বরণ

শুক্রবার, জানুয়ারী ২, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে কুয়ালালামপুরের প্যাভিলিয়ন কেএল-এ অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬ কাউন্টডাউন ফেস্টিভ্যাল’। বর্ণাঢ্য এই আয়োজনে বিপুলসংখ্যক স্থানীয় জনগণ, পর্যটক ও দর্শনার্থীর অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী দাতুক সেরি তিয়ং কিং সিং বলেন, জনসাধারণ, দেশি-বিদেশি দর্শনার্থী ও পর্যটকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের কারণেই এই আয়োজন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। নতুন বছরে পদার্পণের মুহূর্তে সবাই একত্রিত হওয়াকে তিনি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

তিনি নিজের ফেসবুক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ এই দিনে প্রধানমন্ত্রীর সাধারণ মানুষের সঙ্গে সময় কাটানোকে তিনি মাদানি সরকারের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অঙ্গীকার এবং পর্যটন ও সৃজনশীল শিল্পকে এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন হিসেবে অভিহিত করেন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথি ও বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান তিয়ং কিং সিং। তাদের উপস্থিতিকে মালয়েশিয়ার পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি খাতে আন্তর্জাতিক সমর্থনের একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, এই উৎসব শুধু বিনোদনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না; বরং এতে মালয়েশিয়ার সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় তুলে ধরতে নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি স্থানীয় প্রতিভাবান শিল্পীদের পরিবেশনাও দর্শকদের মুগ্ধ করে। ঐতিহ্যবাহী শিল্পকলা ও আধুনিক বিনোদনের সমন্বয় নগর পর্যটনে সংস্কৃতির গুরুত্বকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, এ ধরনের আয়োজন নগরের প্রাণচাঞ্চল্য বাড়ায়, স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করে, শিল্পী ও সৃজনশীল শিল্পের সঙ্গে যুক্তদের সহায়তা করে এবং কুয়ালালামপুরকে একটি গতিশীল, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বিশ্বমানের নগরী হিসেবে তুলে ধরতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬-এর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এ ধরনের উদ্যোগ পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠান সফল করতে আয়োজক, শিল্পী, কৌশলগত অংশীদার এবং নেপথ্যে কাজ করা সব কর্মীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

ফেসবুক পোস্টে পর্যটন, শিল্প ও সংস্কৃতি খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি, ঐক্যের সেতুবন্ধন এবং জাতীয় পরিচয়ের প্রতিফলন হিসেবে আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান তিয়ং কিং সিং।

ভিজিট মালয়েশিয়া ২০২৬ সামনে রেখে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, মালয়েশিয়া তার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা নিয়ে বিশ্ব পর্যটন মানচিত্রে আরও উজ্জ্বলভাবে স্থান করে নেবে।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন