বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিরোনাম

ভোলায় ভোটের প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি-জামায়াতের সংঘর্ষ

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ৩, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

ভোলার দৌলতখান উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত ৯ জন আহতের খবর পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ভোলা-২ সংসদীয় আসনের দৌলতখান উপজেলার মেদুয়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মুন্সিরহাট এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জামায়াতের আহতদের মধ্যে মধ্যে রয়েছেন- মো. রাসেল, মো. নাঈম, মো. বিল্লাল, মো. মিজান ও মো. সিফাত। অন্যদিকে বিএনপির আহতদের মধ্যে রয়েছে- রাসেল (২৬), মিজান (৩৫) রাকিব (২৭) রিয়াজ (২৭)।

সংঘর্ষে গুরুতর আহত জামায়াতের পাঁচজনকে ভোলা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং বিএনপির তিনজনকে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। তবে এ ঘটনায় একে অপরকে দুষছে দুই দলের নেতাকর্মীরা।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা জামায়াতের ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুফতি ফজলুল করিমের পক্ষে মুন্সিরহাট এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিল। এসময় আগে থেকেই সেখানে অবস্থান করা বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী হাফিজ ইব্রাহিমের কর্মী সমর্থকেরা অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে দুই দলের নেতাকর্মীরা মুখোমুখি হলে তাদের মধ্যে প্রথমে তর্ক হয় এবং একপর্যায়ে তারা দুপক্ষ নেতাকর্মীরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পরে খবর পেয়ে যৌথবাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।

দৌলতখান উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা আশ্রাফ উদ্দিন ফারুক অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব পরিকল্পিতভাবে বিএনপি নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা-রড নিয়ে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের মোট ১৩ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। গুরুতর আহত পাঁচজনকে ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।

দৌলতখান উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সাজু অভিযোগ করে বলেন, জামায়াত নেতাকর্মীরা প্রচারণার নামে পরিকল্পিতভাবে আমাদের কর্মীদের উপর হামলা চালিয়েছে। তাদের হামলায় আমাদের গুরুতর আহত তিনকর্মী স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আমরা আইনি ব্যবস্থা নেবো।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন