রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিরোনাম

সাজা স্থগিত ও চিকিৎসার জন্য জামিন চাইলেন ইমরান খান

রবিবার, ফেব্রুয়ারী ১৫, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খান তোশাখানা-২ মামলায় দেওয়া সাজা স্থগিত এবং চিকিৎসা ও মানবিক কারণ দেখিয়ে জামিন চেয়ে ইসলামাবাদ হাইকোর্টে এ আবেদন করেছেন। খবর জিও নিউজের।

ব্যারিস্টার সালমান সাফদার ও সালমান আকরাম রাজার মাধ্যমে দায়ের করা আবেদনে কারাবন্দী পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা আদালতের কাছে সাজা স্থগিত করে জামিন মঞ্জুরের অনুরোধ করেছেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে একটি বিশেষ আদালত তোশাখানা-২ মামলায় ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবিকে ১৭ বছর করে কারাদণ্ড দেন। মামলাটি রাষ্ট্রের বিলাসবহুল উপহার কম দামে ক্রয় এবং পরে তা বিক্রির অভিযোগকে কেন্দ্র করে। ইতালির বিশালবহুল ব্র্যান্ড বুলগারির একটি ‘জুয়েলারি সেট’ কেনার সঙ্গে মামলাটি সম্পর্কিত।

২০২১ সালের মে মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইমরান খান সরকারি সফরে সৌদি আরবে গেলে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ইমরানকে বুলগারির ওই জুয়েলারি সেটটি উপহার দিয়েছিলেন। এই মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, ইমরান মাত্র ২৯ লাখ রুপির বিনিময়ে ওই জুয়েলারি সেটটি নিয়ে নেন। অথচ এটির বাজারমূল্য প্রায় ৮ কোটি রুপি। ২০২২ সালের এপ্রিলে পার্লামেন্টে বিরোধী দলগুলোর আনা অনাস্থা ভোটে হেরে প্রধানমন্ত্রিত্ব হারান ইমরান খান।

এদিকে আলোচিত আল-কাদির ট্রাস্ট মামলা বা ১৯০ মিলিয়ন পাউন্ড দুর্নীতি মামলায় সাজা স্থগিতের আবেদনের দ্রুত শুনানির আবেদনও পৃথকভাবে করা হয়েছে। আবেদনে বলা হয়, ‘আবেদনকারী (ইমরান) তার ডান চোখের গুরুতর রোগে ভুগছেন।’

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘মামলার মেরিট এবং চিকিৎসার কারণে সাজা স্থগিতের জন্য আবেদনকারীর অত্যন্ত শক্তিশালী ভিত্তি রয়েছে, যা সম্প্রতি পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় সামনে এসেছে।’

আইনজীবীদের ভাষ্য অনুযায়ী, রক্ত জমাট বাঁধার কারণে ইমরান খানের ডান চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি ওই চোখে মাত্র ১৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি পাচ্ছেন।

আবেদনে আরও বলা হয়, ‘চিকিৎসাজনিত জটিলতা এতটাই গুরুতর যে কারাগারের ভেতরে এর যথাযথ চিকিৎসা সম্ভব নয়।’

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন