মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

শিরোনাম

‘বাংলাদেশি বয়কট’ থেকে সরে আসলেন শিলিগুড়ির হোটেল মালিকরা

মঙ্গলবার, ফেব্রুয়ারী ২৪, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

পশ্চিমবঙ্গের শিলিগুড়িতে বাংলাদেশি পর্যটকদের হোটেল বুকিংয়ের ওপর জারি করা দীর্ঘদিনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিয়েছে স্থানীয় হোটেল মালিকদের সংগঠন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) ‘গ্রেটার শিলিগুড়ি হোটেলিয়ার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন’ আনুষ্ঠানিকভাবে এই ঘোষণা দেয়। মূলত দুই দেশের মধ্যকার সাম্প্রতিক ইতিবাচক কূটনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনটি জানিয়েছে।

২০২৪ সালের ৯ ডিসেম্বর আঞ্চলিক উত্তেজনার জেরে বাংলাদেশি পর্যটকদের জন্য শিলিগুড়ির হোটেলগুলোতে আবাসন সুবিধা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক উজ্জ্বল ঘোষ বার্তা সংস্থা এএনআই-কে জানান, সেই সময় বাংলাদেশের কিছু নেতার উস্কানিমূলক বক্তব্য এবং ভারতের জাতীয় পতাকার অবমাননার মতো ঘটনার প্রতিবাদে তারা এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তবে বর্তমানে পরিস্থিতির পরিবর্তন হওয়ায় তারা এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়া এবং শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার উপস্থিত থাকা দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

এছাড়া উভয় দেশের সরকার সীমান্ত ভ্রমণে বিধিনিষেধ শিথিল করায় এবং ভিসার প্রক্রিয়া পুনরায় সহজ হওয়ায় পর্যটকদের জন্য হোটেলের দুয়ার খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রায় ২৫০টি হোটেল এই সিদ্ধান্তের আওতায় থাকবে।

নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলেও জাতীয় মর্যাদার প্রশ্নে কোনো আপস করা হবে না বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে হোটেল মালিকদের এই সংগঠন। তারা জানিয়েছে, ভবিষ্যতে যদি আবারও ভারতের জাতীয় পতাকা বা দেশের প্রতি কোনো ধরনের অবমাননাকর ঘটনা ঘটে, তবে তারা পুনরায় কঠোর ব্যবস্থা নিতে দ্বিধা করবে না। বর্তমানে সব সদস্য হোটেলকে আইনি ও নিরাপত্তা প্রোটোকল কঠোরভাবে মেনে চলে বাংলাদেশি অতিথিদের সেবা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম কান-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘আগামী কয়েক দিনের মধ্যে হামাসকে গাজা পুরোপুরি নিরস্ত্রীকরণের আলটিমেটাম দেওয়া হতে পারে। হামাস যদি তা না মানে, তাহলে আন্তর্জাতিক সমর্থন ও যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা নিয়ে ইসরাইলি সেনাবাহিনী নিজেরাই ব্যবস্থা নেবে।’

স্মোট্রিচ বলেন, ‘হামাস নিরস্ত্রীকরণে রাজি না হলে ইসরাইলি বাহিনী অবশ্যই গাজায় ঢুকে এলাকা দখল করবে।’ কীভাবে অভিযান চালানো হবে, সে বিষয়ে দুই বা তিনটি পরিকল্পনা বিবেচনায় আছে বলে জানান তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত শান্তি পরিকল্পনায় ২০ হাজার সদস্যের একটি আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষা বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ বাহিনীতে কয়েকটি দেশ সেনা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

এ বিষয়ে স্মোট্রিচ বলেন, বিদেশি সেনারা মোতায়েন থাকলেও ইসরাইলি বাহিনী অভিযান চালাতে চাইলে তারা দ্রুত সরে যাবে। এ বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করেই করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। তবে তিনি বলেন, আপাতত আন্তর্জাতিক বাহিনী দ্রুত গাজায় ঢুকবে বলে মনে হচ্ছে না।

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন