রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬

শিরোনাম

কাশেম সোলেমানি ও লারিজানির স্বজনদের যেভাবে গ্রেফতার করল মার্কিন বাহিনী

রবিবার, এপ্রিল ৫, ২০২৬

প্রিন্ট করুন

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সাবেক প্রধান কাশেম সোলেমানি ও নিরাপত্তা কাউন্সিলের সাবেক প্রধান ড. আলী লারিজানির স্বজনদের গ্রেফতার করেছে মার্কিন বাহিনী। এই দুই প্রতাপশালী নেতার মধ্যে সোলেমানি ২০২০ সালের ৩ জানুয়ারি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে মার্কিন বিমান হামলায় নিহত হন। তখনও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।

আর গত ১৭ মার্চ ইরানে মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় নিহত হন ড. লারিজানি। তবে তাদের দুজনের সন্তানসহ বেশ কয়েক স্বজনকে আটক করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার (৪ এপ্রিল) জানায়, মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা ইরানের প্রয়াত সামরিক কমান্ডার কাশেম সোলেমানির ভাতিজি ও নাতনিকে গ্রেপ্তার করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও তাদের আইনগত স্থায়ী বসবাসের অনুমতি (গ্রিন কার্ড) বাতিল করার পর এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়।

রুবিও তাদের গ্রিন কার্ড বাতিল করার পর মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, ‘হামিদেহ সোলেমানি আফশার ও তার মেয়ে এখন মার্কিন ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (আইসিই) হেফাজতে আছেন।’

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় উল্লেখ করেছে, এই জুটি আমেরিকায় বসবাস করার সময় আফশার ‘ইরানি শাসনের প্রচারণা চালিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সৈন্য ও সামরিক স্থাপনায় হামলা উদযাপন করেছেন, ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনির প্রশংসা করেছেন, আমেরিকাকে ‘মহা শয়তান’ হিসেবে অভিহিত করেছেন এবং আইআরজিসির প্রতি তার অবিচল সমর্থন ব্যক্ত করেছেন, যে বাহিনীকে সন্ত্রাসী তালিকাভুক্ত করেছে ওয়াশিংটন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আফশার লস অ্যাঞ্জেলেসে অত্যন্ত বিলাসবহুল জীবনযাপন করার পাশাপাশি এসব কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তার এখন মুছে ফেলা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টের পোস্টগুলো থেকে এর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

আরও আগে এই মাসে, রুবিও ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সাবেক সচিব ড. লারিজানির মেয়ে ফাতিমেহ আরদেশির-লারিজানি এবং তার স্বামী সৈয়দ কালান্টার মোতামেদির আইনি মর্যাদা বাতিল করেছিলেন।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, এই দম্পতিকে বহিষ্কার করা হয়েছে এবং ভবিষ্যতে তাদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘ট্রাম্প প্রশাসন আমাদের দেশকে এমন বিদেশি নাগরিকদের আবাসে পরিণত হতে দেবে না, যারা আমেরিকাবিরোধী শাসনকে সমর্থন করে।’

আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন