ইরান তার উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত অন্য কোনো দেশের কাছে হস্তান্তর করতে সম্মত হয়নি বলে জানিয়েছেন দেশটির একজন ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান প্রাথমিক সমঝোতায় পারমাণবিক ইস্যুটি অন্তর্ভুক্ত ছিল না উল্লেখ করে ওই সূত্রটি জানায়, পারমাণবিক বিষয়টি নিয়ে কেবল একটি চূড়ান্ত চুক্তির লক্ষ্যেই আলোচনা করা হবে, যা বর্তমান চুক্তির অংশ নয়। ফলে ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেওয়ার বিষয়ে কোনো ধরনের সমঝোতা হয়নি।
ইরানি কর্মকর্তার এই বক্তব্যটি এমন এক সময়ে সামনে এলো, যার ঠিক আগেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমস দুজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে দাবি করেছিল, ইরান তার ইউরেনিয়ামের মজুত ত্যাগ করতে নীতিগতভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়েছে।
তবে সেটি ঠিক কীভাবে এবং কোন প্রক্রিয়ায় করা হবে, তা যুক্তরাষ্ট্রের সাথে চলমান আলোচনায় এখনও চূড়ান্ত হয়নি। মার্কিন কর্মকর্তাদের দাবি, চুক্তি স্বাক্ষরের পর শুরু হতে যাওয়া পরবর্তী দফার আলোচনায় এই খুঁটিনাটি বিষয়গুলো নির্ধারণ করা হবে।
এদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস-এর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খসড়া চুক্তিতে ইরানের পক্ষ থেকে বেশ কিছু বড় প্রতিশ্রুতির কথা উল্লেখ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত রাখার বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নেবে এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত পুরোপুরি সরিয়ে ফেলবে।
তবে খসড়া চুক্তির এই দাবি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের বক্তব্যের বিপরীতে ইরানের শীর্ষপর্যায়ের এই অস্বীকৃতি চলমান আলোচনাকে নতুন এক কূটনৈতিক জটিলতার মুখে দাঁড় করালো।



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন