নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারে সৌরবিদ্যুৎ এবং ইলেকট্রিক যানবাহন (ইভি) খাতে একাধিক কর ও শুল্ক ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় তিনি এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, পরিবেশবান্ধব, সাশ্রয়ী ও টেকসই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকে উৎসাহিত করতে ২০৩৫ সাল পর্যন্ত সৌরবিদ্যুৎ খাতে শূন্য শতাংশ কর হার বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সৌরবিদ্যুৎ বিল পরিশোধের বিপরীতে ৫ শতাংশ কর রেয়াত সুবিধা দেওয়ারও প্রস্তাব করা হয়েছে।
ইলেকট্রিক যানবাহনের ব্যবহার বাড়াতে বিআরটিএতে নিবন্ধন ও নবায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান ২ লাখ টাকার অগ্রিম আয়কর উল্লেখযোগ্যভাবে কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, ইলেকট্রিক গাড়ির মোটর সক্ষমতা (কিলোওয়াট) অনুযায়ী অগ্রিম আয়কর ২৫ হাজার থেকে ১ লাখ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা হবে।
২০০ কিলোওয়াট পর্যন্ত গাড়ির জন্য ২৫ হাজার টাকা, ৩০০ কিলোওয়াট পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকা, ৪০০ কিলোওয়াট পর্যন্ত ৭৫ হাজার টাকা এবং ৪০০ কিলোওয়াটের বেশি সক্ষমতার গাড়ির জন্য ১ লাখ টাকা অগ্রিম আয়কর প্রস্তাব করা হয়েছে।
দেশে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনকারী শিল্পের বিকাশে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার লক্ষ্যে সৌরবিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ আমদানির ওপর প্রযোজ্য আমদানি শুল্ক, রেগুলেটরি শুল্ক, সম্পূরক শুল্ক এবং আগাম কর শূন্য শতাংশ করার জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারির প্রস্তাব করা হয়েছে। এই সুবিধা ৩০ জুন ২০৩১ পর্যন্ত কার্যকর রাখার কথা বলা হয়েছে।
তবে দেশীয় শিল্পের বিকাশে উৎসাহ দিতে মাউন্টিং স্ট্রাকচার, লিথিয়াম সেল, ব্যাটারি প্যাক এবং ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেমসহ কয়েকটি পণ্যের ক্ষেত্রে দেওয়া রেয়াতি সুবিধা ৩০ জুন ২০২৮-এর পর প্রত্যাহারের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া দেশে ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদনকারী শিল্পে বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে শুল্ক ও কর অব্যাহতির উদ্যোগ নেওয়ার কথাও বাজেট বক্তৃতায় উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন