নিজস্ব প্রতিবেদক: পাঁচ বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে যাত্রা শুরু করেছিলো প্রথম আলো। যাত্রার শুরু থেকেই ছিলো পত্রিকাটির প্রতি পাঠকদের বেশ আগ্রহ। পাঠক জনপ্রিয়তায় পত্রিকাটি ধীরে ধীরে ছড়িয়ে যায় উত্তর আমেরিকায়। বিশেষ স্থান দখল করে নেয় পাঠকদের হৃদয়ে। আর বাংলাদেশিদের জন্য পত্রিকাটি হয়ে উঠে আস্থার ঠিকানা। বিদেশের মাটিতে দেশীয় জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়েও সোচ্চার ছিলো পত্রিকাটি।
পত্রিকাটির প্রতি মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা আর ভরসার বিষয়টি ফুটে ওঠে ষষ্ঠ প্রতিষ্ঠাবার্ষীকিতে। যেখানে ছিলো পাঠক সুহৃদ শুভাকাঙ্ক্ষীর সম্মেলন। সকলের মুখে ছিলো পত্রিকাটির গুণকীর্তন।
গত রোববার (২৭ মার্চ) প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার একদল লেখক সাংবাদিকের সম্মিলিতউপস্থাপনা এবং পরিবেশনায় প্রতিষ্ঠাবার্ষীকির অনুষ্ঠানটি ছিল ভিন্ন আয়োজনের। অনেকটাই পারিবারিক মিলন মেলার মতো হয়ে উঠেছিল ফরেস্ট হিলের আগ্রা প্যালেস। অনুষ্ঠানের শুরুতে মহান স্বাধীনতার জন্য জীবন উৎসর্গ করা বীরদের প্রতি সম্মাননা জানানো হয়। ভিডিও চিত্রে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, মিডিয়াস্টারের প্রয়াত চেয়ারম্যান লতিফুর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ট্রান্সকম গ্রুপের বর্তমান প্রধান সিমিন রহমান ও প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউররহমানের প্রতিও জানানো হয় কৃতজ্ঞতা।
এদিন বেলা ১২টায় রওশন হকের উপস্থাপনায় বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। জাতীয় সঙ্গীতে পরিবেশনায় নেতৃত্ব দেন সুতপা মণ্ডল। প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় ‘কবিতার এক পাতা’ সম্পাদক ফারুক ফয়সল কবিতার উৎকর্ষতায় প্রথম আলোর উদ্যোগ এবং সাফল্য নিয়ে কথা বলেন। মঞ্চে নিয়ে আসেন কবিতার পাতার লেখকদের।
গল্পকার সোহানা নাজনীন মঞ্চে আহ্বান করেন ‘অনুগল্প’ পাতার সম্পাদক শেলী জামান খানকে। শেলী জামান খান অনুগল্পের মাধ্যমে জীবনের বড় বড় গল্প কীভাবে গল্পকাররা সাজিয়ে তোলেন- এ নিয়ে কথা বলে গল্পকারদের মঞ্চে আহ্বান করেন। তাদের পরিচয় করিয়ে দেন হল ভর্তি জনসমাজের সামনে। লেখক সাংবাদিক রোকেয়া দীপা নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবানদের নিয়ে মঞ্চে উপস্থিত হোন। নতুন প্রজন্মের ইমতিয়াজ চৌধুরী , লেখক আসিফ মোক্তাদির , ট্র্যান্সজেন্ডার সাংবাদ পাঠিকাতাসনুভা আনান,মার্জিয়া স্মৃতি, মনীষা তৃষা প্রমুখ এ সময় বক্তব্য রাখেন।
নিউইয়র্কের কুইন্স ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যালিন্ডা কার্টজ বলেছেন কমিউনিটির নিরাপদ জীবনযাপন নিশ্চত করার দায়িত্ব তার। এ কাজে সহযোগিতা করার জন্য তিনি নিউইয়র্ক সিটির বহুজনমিশ্রনের সব ধরনের জনগোষ্ঠির সহযোগিতা কামনা করেছেন। কুইন্সের প্রথম নারী ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যালিন্ডা কার্টজ।
কুইন্স ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি অফিসের সহকারী ডিসট্রিক্ট আটর্নি জ্যাসিকা মিল্টন হিউম্যান ট্রাফিকিং এর উপর আলোচনা করেন। তিনি আদম পাচারের ঝুঁকিতে পড়া জনগোষ্ঠি ,এর কারণ এবং প্রতিকার নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা উপস্থাপনকরেন।
প্রথম আলোর সাহিত্য সম্পাদক এইচবি রিতা সাহিত্য চর্চায় যারা প্রবাসকে আন্দোলিত করে রাখছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলে , প্রবাসে বাংলা সংবাদমাধ্যম প্রতিনিয়ত বাংলা ভাষা ও সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করছে। তিনি এসময় সাহিত্য পাতার বেশ কিছু লেখককে পরিচয় করিয়ে দেন।
নিউইয়র্ক নগরের কমিশনার দিলীপ চৌহান , সিনেটর জন লু সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
সৃহৃদের শুভেচ্ছায় সিক্ত প্রথম আলো:
তরুণ প্রজন্মের তিনজন চৌকস উপস্থাপক সামিয়া হক, ইহরাম এবং সায়রামের উপস্থাপনায় ভিন্নভাষী অথিতিরা একের পর এক বক্তৃতা দেন এবং প্রথম আলোকে ধন্যবাদ জানান। তাদের বক্তব্যে উঠে আসে প্রথম আলো প্রতি তাদের আশা ও ভালোবাসা।
প্রথম আলোর এই পথচলায় বন্ধুর পথ অতিক্রম করা নিয়ে সাপ্তাহিক ঠিকানা সম্পাদক এম এম শাহীনের কন্ঠে সহযোগী সংবাদপত্র নিয়ে উঠে আসে মূল্যায়ন। তিনি বলেন, প্রথম আলো আজ ছয় বছরে পদার্পন করেছে। এ উপলক্ষে ভিন্ন আঙ্গিকে নিজেদের সাজিয়েছে। ৩৩ বছর আগে প্রকাশিত হয়েছিলো ঠিকানা। প্রথম দিকে একাসহ এই দীর্ঘপথে আমরা যা করতে পারি নাই প্রথম আলো পরিপূরক হিসাবে সেসব কাজ করেছে বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য।
টাইম টিভির সিইও এবং বাংলা পত্রিকার সম্পাদক আবু তাহের বলেছেন প্রথম আলো নীতি নৈতিকতা নিয়ে সাংবাদিকতা করে। এ অগ্রযত্রা অব্যাহত থাকার জন্য তিনি শুভকামনা করেন।
ডেমোক্র্যাটিক পার্টির ডিসট্রিক্ট লিডার অ্যাট লার্জ এটর্নি মঈন চৌধুরী তার শুভেচ্ছা বক্তৃতায় প্রথম আলো পত্রিকার সাথে শুরু থেকেই ছিলেন এবং তার সাহায্য সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে উল্লেখ করেন।
রাজনীতিবিদ এবং সংগঠক আবু জাফর মাহমুদ তার বক্তৃতায় প্রথম আলো এগিয়ে চলায়তিনি পাশে থাকবেন বলে ঘোষণা প্রদান করেন।
ব্যবসায়ী ও মূলধারার রাজনীতিবিদ গিয়াস আহমেদ প্রথম আলো দল নিরপেক্ষ ভূমিকা অব্যাহত রেখে এগিয়ে যাবে বলে প্রত্যাশা করেন।
বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন বলেছেন প্রথম আলো নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটিতে পত্রিকা প্রকাশনা ছাড়াও অনেক ভালো কাজে জড়িয়ে আছে। তিনি এসব কাজে সহযোগিতা করে যাবেন বলে উল্লেখ করেন।
প্রথম আলোর বার্তা প্রধান মনজুরুল হক সবাইকে শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে জনসমাজের উপস্থিত লোকজনকে পরিচয় করিয়ে দেন এবং অনেকেই এসময় শুভেচ্ছা বক্তৃতা দেয়ার জন্য এগিয়ে আসেন।
অনুষ্ঠানে অন্যন্যদের মধ্যে শুভেচ্ছা বক্তৃতা দেন- নাসির খান পল, মোর্শেদ আলম, আজকাল পত্রিকার সম্পাদক মনজুর আহমেদ, প্রবাস প্রত্রিকার সম্পাদক মোহাম্মদ সাঈদ , জন্মভূমি সম্পাদক রতন তালুকদার, সম্পাদক শাহ জে চৌধুরী, শামীম আল আমীন, এডভোকেট আখতারুল ইসলাম,রহমান মাহবুব, মঈনুল ইসলাম,ফেরদৌস খান, মইনুল চৌধুরী হেলাল,দর্পন কবির,শওকত ওসমান রচি,জাফর মাহমুদ,সেলিনা উদ্দিন,মোহাম্মদ কে আহমেদ , আব্দুল মালিক জুয়েল, সালাহ উদ্দিন, এম সোলায়মান, রউফ সরকার, ডা. সজল আশফাক, আব্দুল্লাহ জাহিদ, ফরিদা ইয়াসমিন, শেখ হেলাল , ডা. তানিয়া, সনজীবন সরকার, গোপাল সান্যাল, জিল্লুর রহমান জিলু, আহমেদ সায়েম, স্বপন বিশ্বাস, সালমা ফেরদৌস, আবু তাহের, মাহমুদুল হক চৌধুরী, রাজনীতিবিদ নাছিম আহমেদ, ফারহানা ইলিয়াস তুলি ,মোতাহার হোসেন, মার্শাল মুরাদ , হামিমা হালিনা , হাজী আব্দুর রহমান, আবু তালেব চৌধুরী চান্দু, তোফায়েল আহমেদ চৌধুরী, মিজানুর রহমান, ঝর্না চৌধুরী, জয়তূর্য চৌধুরী, দুরুদমিয়া রোনেল, আহসান হাবিব , ফেদৌস নয়ন, মাসুদ সিরাজী, মোয়াজ্জেম সরকার,আরিফুল হাসান. শাহেদ আলম, আব্দুর রহিম, সাবিনা তুলি, শুখেন গোমেজ, মোঃ কেআহমেদ, মোহাম্মদ সাঈদ, মাহমুদুল পাহলবি, সেজান আহমেদ, নুরুল হক, অনির্বান খন্দকার, সৈয়দ মাসুদুল কবির, নিরু এস নিরা, শাহানা রহমান , নাসিমা সুলতানাফ্লোরা, অনিক রহমান , ঊষা রহমান , জাকির চৌধুরী, আবু চৌধুরী,মোহাম্মদ চৌধুরী , সাকিফ চৌধুরী, সায়রা চৌধুরী, ইপন আহমেদ চৌধুরী, মোহাম্মদ চৌধুরী,এমাদ চৌধুরী , হেলিম আহমেদ, শাহনেওয়াজ কোরেশী প্রমুখ।
প্রথম আলোর সন্মাননা পেলো ৩ বিশিষ্টজন:
প্রথম আলো উত্তর আমেরিকা এই প্রথম বারের মতো তিনজন বিশিষ্টজনকে সম্মাননাপ্রদান করেছে। পেশাগত উৎকর্ষতার জন্য নিউইয়র্ক নগরের কুইন্স ডিসট্রিক্ট অ্যাটর্নি ম্যালিন্ডা কার্টজ, সংগঠক হিসেবে কমিউনিকেশন ওয়ার্কারস অফ আমেরিকা সি ডব্লিউ ১১৮২- এর ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক রিকি মরিসন এবং আজীবন জনসেবায় নিজেকে উৎসর্গ করার জন্য আজীবন সম্মাননা দেয়া হয় প্রফেসর ডা. জয়াউদ্দিন আহমদকে। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের দুই বীর কণ্ঠযোদ্ধা শহীদ হাসান এবং রথীন্দ্রনাথ রায়কে জানানো হয় বিশেষ সম্মাননা।
প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সম্পাদক ও লেখক সাংবাদিকরা সম্মাননা প্রাপ্তদের হাতে করেত উঠিয়ে দেন এবং উত্তরীয় পরিয়ে দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হল ভর্তি লোকজন দাঁড়িয়ে সম্মাননাপ্রাপ্তদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।
এ পর্বে বক্তব্য রাখেন নিউইয়র্কে প্রথম বাংলাদেশি বিচারক সোমা সাঈদ, রাজনীতিবিদ এলিজাবেদ ক্রাউলি, কমিশনার দিলীপ চৌহান,সিনেটর জন লু,নিউইয়র্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল ড. মনিরুল ইসলাম, রাজনীতিবিদ দিলীপ নাথ, মিজানুর রহমান চৌধুরী প্রমুখ।
কনসাল জেনারেল মনিরুল ইসলাম সম্মাননা প্রাপ্তদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, নিউইয়র্কে প্রথম আলো জনসমাজের মুখপত্র হসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এ পত্রিকার সাথে জড়িয়ে আছেন জনসমাজের নানা পর্যায়ের লোকজন। তিই পত্রিকার সব ভালো কাজের প্রতি অবিচল থেকে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করেন।
সম্মাননা প্রাপ্তির পর ডিসট্রিক্ট আটর্নি ম্যালিন্ডা কার্টজ প্রথম আলো সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিষদকে ধন্যবাদ জানান। সিডব্লিউ ১১৮২- এর প্রশাসক রিকি মরিসন বলেন, তার ইউনিয়ন সদস্যরা জনসমাজের সাথে সংযোগ সৃষ্টির জন্যগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। তাকে সম্মানিত করার মাধ্যমে নাগরিক সেবায় কর্মরত লোকজনকেই সম্মান জানানো হচ্ছে। তিনি প্রথম আলো সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানা।
সম্মাননা পাওয়া চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. জিয়াউদ্দিন আহমেদ প্রথম আলো সংশ্লিষ্ট লেখক সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রতিকারমাধ্যমে জনসেবা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।
অনুষ্ঠানে নিউইয়র্ক পুলিশে কর্মরত দুই বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ক্যাপ্টেন, ক্যাপ্টেন আব্দুল্লাহ এবং ক্যাপ্টেন কারাম চৌধুরী শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রথমআলোর অগ্রযাত্রা কামনা করেন। এসময় তাদের সাথে পুলিশ কর্মকর্তা ও ট্রাফিক এজেন্টদের গুরুত্বপূর্ণ লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
গানে নৃত্যে কাটে আয়োজনের শেষ বেলা:
এইদিকে প্রসংশা শুভেচ্ছা আর গুণী সন্মাননার পর শেষ বেলায় শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। যা সকলের নজর কাড়ে।
অনুষ্ঠানে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার জনপ্রিয় ম্যাগাজিন পাতা উত্তরের নকশা সম্পাদক মনিজা রহমান মডেল শো, নাটিকা ও সাক্ষাৎকার নিয়ে জমিয়ে তুলেন।
নিয়মিত রেসিপি লেখক ছন্দা খানের সাক্ষাৎকার , কান্তা কাবির আর শরিফ হোসেনের নাটিকা উপভোগ করেছে দর্শক শ্রোতারা প্রাণ ভরে। লেখিকা ফরিদা ইয়াসমিন প্রথম আলোর সাথে জড়িত বেশ কিছু প্রবাসী লেখকের প্রকাশিত গ্রন্থ নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি কিছু গ্রন্থকারদের মঞ্চে উপস্থাপন করেন। এসময় আব্দুস শহীদ,সোনিয়া কাদের প্রমুখ লেখকরা সরাসরি দর্শকদের সাথে কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের শেষ দিকে শিল্পি বেবি নাজনীনকে সম্মান প্রদর্শন করা হয়। বেবি নাজনীন শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানান এবং দর্শকদের অনুরোধে গান গেয়ে শোনান। প্রথম আলো উত্তরআমেরিকার প্রায় সকল অনুষ্ঠানের নিয়মিত শিল্পী তাহমিনা শহীদের চমৎকার সঙ্গীত পরিবেশনার মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।পুরো অনুষ্ঠানের ছবি ধারণ করেছেন সৈয়দ মাসুদুল কবির , হৃদয় অনির্বান খন্দকার, এমবি তুষার, শান্তনুসাজ্জাদ। সাংস্কৃতিক পর্ব ব্যবস্থাপনায় ছিলেন সাংবাদিক জাহিদা আলম।
সমাপনি বক্তব্যে প্রথম আলো উত্তর আমেরিকার সম্পাদক ইব্রাহীম চৌধুরী সবাইকেধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের ক্রমাগত এগিয়ে যাওয়ার জন্য সকলের সহযোগিতাকামনা করেন। ইব্রাহীম চৌধুরী প্রথম আলো ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে পত্রিকা প্রকাশনা ছাড়াও জনকল্যাণের কাজে আগামী দিনগুলোতে সকল মহলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।
আইআই/সিএন



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন