সৌদি আরবের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খামিস মুশাইত, আবহা ও জাজান শহরে আবারও হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা। এসব হামলায় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন। খবর সামা টিভির
এর মাত্র এক দিন আগে সৌদি আরবের চারটি শহরে হুথিদের হামলায় ৭৩ জন আহত হন। এ সময় কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুনও ধরে যায়। নতুন হামলার ফলে দুই পক্ষের দীর্ঘদিনের সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
বুধবার সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট জানায়, হুথিরা খামিস মুশাইত, আবহা ও জাজান লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।
জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি বলেন, ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরবের জাতীয় সম্পদ ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে ‘জঘন্য হামলা’ চালিয়ে যাচ্ছে।
হামলার পর সৌদি সিভিল ডিফেন্স আবহা ও খামিস মুশাইতের বাসিন্দাদের জরুরি সতর্কতা জারি করে সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে সতর্ক করে। পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।
সাম্প্রতিক হামলার পর সৌদি কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করেছে। খামিস মুশাইত প্রদেশে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চতুর্থবারের মতো সতর্কতা জারি করা হলেও পরে ‘বিপদ কেটে গেছে’ বলে জানানো হয়।
মঙ্গলবার হুথিরা খামিস মুশাইতের একটি বিমানঘাঁটি এবং আশপাশের কয়েকটি শহরের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালায়। সৌদি কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলায় চারটি শহরে ৭৩ জন আহত হন এবং কয়েকটি তেল স্থাপনায় আগুন লাগে।
নতুন করে হামলা শুরু হওয়ায় সৌদি আরব ও হুথিদের দীর্ঘদিনের সংঘাত আবারও বড় আকারের যুদ্ধে রূপ নিতে পারে—এমন আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র আল-মালকি জানিয়েছেন, সৌদি আরবের সার্বভৌমত্ব, জাতীয় সম্পদ ও বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষায় সর্বশেষ হামলার জবাব ‘দায়িত্বশীলভাবে’ দেওয়া হবে।
সৌদি আরব হুথিদের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘বিপজ্জনক উসকানি’ হিসেবে দেখছে। আরও হামলা ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে জোট।
অন্যদিকে হুথিরা দাবি করছে, ইয়েমেনে সৌদি আরবের কথিত সামরিক তৎপরতার জবাব হিসেবেই তারা এসব হামলা চালাচ্ছে।


চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন