হাইতির বিপক্ষে শেষে ৩-০ গোলের জয়ে সি গ্রুপের শীর্ষে উঠেছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। এক জয় ও এক ড্রয়ে ব্রাজিলের পয়েন্ট চার। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা মরক্কোর পয়েন্ট সমান হলেও গোল ব্যবধানে শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল।
এদিন ম্যাচের শুরুতেই গোল পেয়েছিল ব্রাজিল। কিন্তু অফসাইডে তা বাতিল হয়ে গেছে। পরে কুনহা গোল করে ব্রাজিলকে এগিয়ে দেন। ১৩ মিনিটের ব্যবধানে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন তিনি। পরে অতিরিক্ত সময়ে তৃতীয় গোলটি করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
১৩ মিনিটে দানিলোর বাড়ানো বল ধরে রাফিনহা রক্ষণভাগের পেছনে দ্রুত ছুটে যান এবং প্লেসিডকে পরাস্ত করে প্রচণ্ড শক্তিতে একটি বুলেট গতির শট নেন।
স্টেডিয়াম উল্লাসে ফেটে পড়ে, কিন্তু লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় গোলটি বাতিল হয়ে যায়।
২২ মিনিটে রাফিনহা গোলকিপারকে একা পেয়েও লক্ষ্যে শট রাখতে পারেননি। অবশ্য বল জালে জড়ালেও গোল হতো না, কারণ তিনি অফসাইডে ছিলেন।
পরের মিনিটে ব্রাজিল গোল পেয়ে যায়। ব্রাজিলের খেলোয়াড়রা বল সামনের দিকে ঠেলে দেন। গোলপোস্টের সামনে হাইতির ডিফেন্ডাররা এলোমেলো হয়ে পড়ে। ভিনিসিয়ুস জুনিয়রের কাট ইন থেকে কুনহা কোনোমতে বলটি ঠেলে দিতে সক্ষম হন। অবশ্য প্রথমে ডেলক্রোয়ার গায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে এবং কুনহার শরীরে লেগে রিবাউন্ড হয়ে গোলে ঢুকে যায়।
বিরতির আগে আবারও কুনহা জাল কাঁপান। ভিনিসিয়ুস চমৎকার এক পাসে রক্ষণভাগের পেছনে বল বাড়িয়ে দেন তার উদ্দেশ্যে। বল ধরে কুনহা ডিফেন্ডারদের বোকা বানিয়ে কোনাকুনিভাবে প্রথম পোস্টের দিকে ছুটে যান এবং জোরালো গতিতে জাল লক্ষ্য করে এক বুলেট গতির শট নেন। বল সরাসরি জালের একদম ওপরের অংশে আছড়ে পড়ে! তার রকেট গতির শট ঠেকাতে গোলরক্ষক প্লেসিডের কিছুই করার ছিল না।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে ম্যাচে নিজের প্রথম গোল করেন ভিনিসিয়ুস জুনিয়র।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে দুই দলই গোলের লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেছে। তবে কোনো দলই কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি। ফলে ৩ গোলের জয় নিয়ে মাঠে ব্রাজিল।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন