সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্তকে ‘জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল’ বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম। একই সঙ্গে অধ্যাদেশে কোনো ত্রুটি বা ‘বাছবিচার’ থাকলে তা সংশোধন করে হলেও দ্রুত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পুনরায় চালুর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২০ মে) দুপুর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে মাহফুজ আলম এই প্রতিক্রিয়া জানান।
ফেসবুক পোস্টে সাবেক এই উপদেষ্টা লেখেন, সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি জাতির সঙ্গে প্রতারণার শামিল। বিচার বিভাগ সংস্কার, মামলাজট নিরসন এবং বিচার বিভাগের কার্যকর স্বাধীনতা নিশ্চিতের জন্য আলাদা সচিবালয় জরুরি ছিল।
তিনি আরো লেখেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রণীত অধ্যাদেশ নিয়ে যদি কোনো বাছবিচার বা আপত্তি থেকে থাকে, তবে সেটা সংশোধন করে হলেও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় পুনরায় চালু করা উচিত।
এর আগে মঙ্গলবার (১৯ মে) সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্ত করে এই সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবসহ ১৫ জন কর্মকর্তাকে আইন মন্ত্রণালয়ে ফেরত নেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ বিষয়ে রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শ অনুযায়ী বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিসের নিম্নবর্ণিত সদস্যদেরকে পরবর্তী উপযুক্ত পদে পদায়নের নিমিত্ত পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইন ও বিচার বিভাগে সংযুক্ত করা হলো।
প্রজ্ঞাপনে ছক করে কর্মকর্তাদের নাম, বিলুপ্ত সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সাবেক পদ এবং সংযুক্ত পদ উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১১ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় উদ্বোধন করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।



চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন