ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির শেষ বিদায় ও জানাজায় বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পার্লামেন্টের স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিভিন্ন সরকারের বিশেষ প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ তথ্য জানান দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘেই।
ইসমাইল বাঘেই বলেন, শহীদ আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির বিদায় ও দাফন অনুষ্ঠান ইরানি জাতি, মধ্যপ্রাচ্যের জনগণ এবং বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও মর্যাদাপূর্ণ ঘটনা।
তিনি জানান, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুলসংখ্যক সরকারি কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতা, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরানে আসছেন।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুক্রবার সকাল ৮টায় আনুষ্ঠানিক বিদায় অনুষ্ঠান শুরু হবে এবং দুপুর ১২টা পর্যন্ত চলবে। এতে বিপুলসংখ্যক বিশিষ্ট ব্যক্তি ও সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন।
এ ছাড়া শুক্রবার দুপুর দেড়টা থেকে দুপুর ২টার মধ্যে বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতাদের অংশগ্রহণে বিশেষ আনুষ্ঠানিকতা অনুষ্ঠিত হবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের যৌথ হামলায় নিহত হন আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। মৃত্যুর চার মাস পর তার জানাজা ও দাফনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইরান। দেশটির ইতিহাসে এটাই সবচেয়ে বৃহত্তম রাষ্ট্রীয় জানাজা ও দাফন।
ছয় দিনব্যাপী এই জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠান প্রতিবেশী দেশ ইরাকসহ পাঁচটি শহরে অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রার্থনা চত্বরে খামেনির জানাজার মাধ্যমে এই অনুষ্ঠান শুরু হবে। সোমবার তেহরানের রাস্তায় একটি মিছিল শুরু হবে। মিছিলটি ৭ জুলাই পবিত্র শহর কোমে এবং তারপর ইরাকের নজফ ও কারবালা শহরের দিকে যাবে।
আগামী ৯ জুলাই খামেনির মরদেহ তার নিজ শহর মাশহাদে দাফনের জন্য নিয়ে যাওয়া হবে। ইরান এবং ইরানের বাইরে থেকে বহু মানুষ এই অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।






চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন