যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেস সদস্য ইলহান ওমরের বিরুদ্ধে নিজের ভাইকে বিয়ে করে যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। এ ঘটনায় ২০১৬ সালে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ তদন্ত শুরু করেছিল বলে নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০০৯ সালে আহমেদ নুর সাঈদ এলমিকে বিয়ে করেন ইলহান ওমর। তদন্তকারীদের সন্দেহ ছিল, এলমি তার ভাই এবং যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ করে দিতেই এই বিয়ে করা হয়েছিল। তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দাবি, ওমর ও এলমির মধ্যে ভাই-বোনের সম্পর্ক থাকার ইঙ্গিত পেয়েছিলেন তদন্তকারীরা।
তবে পাঁচ বছরের আইনি সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ায় অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা এগোয়নি। ২০২১ সালে বাইডেন প্রশাসনের সময় মিনেসোটার মার্কিন অ্যাটর্নির কার্যালয় তদন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেয়।
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করেছেন ইলহান ওমর। সম্প্রতি এমএস নাউয়ের উপস্থাপক ক্রিস হেইস সরাসরি এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘আমার জানা মতে, এমনটা নয়।’ ওমরের দাবি, ভাইকে বিয়ে করে গ্রিন কার্ড পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ একটি বর্ণবাদী ষড়যন্ত্র তত্ত্ব।
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন সম্প্রতি তার অভিবাসনসংক্রান্ত নথি নিয়েও নতুন করে তদন্ত শুরু করেছে। ১২ অক্টোবর ওয়াশিংটন ডিসিতে তার বাসায় তল্লাশি চালিয়ে মুঠোফোন, নোটবুক, ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও পাসপোর্ট জব্দ করেন তদন্তকারীরা। ২০০০ সালে মার্কিন নাগরিকত্ব পাওয়ার সময় তিনি ভুল নাম বা জন্মতারিখ ব্যবহার করেছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অভিযোগ প্রমাণিত হলে তার নাগরিকত্ব বাতিল কিংবা যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত এসব অভিযোগের বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।


চলমান নিউইয়র্ক ফেসবুক পেজ লাইক দিন
আমাদের ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন